ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বিশ্ব গণমাধ্যমে তারেক রহমানের স্বদেশে ফেরার খবর

এক-এগারোর সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাত্রা, এরপর পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ষড়যন্ত্রে সেখানেই প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হওয়া- অবশেষে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর খবর গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের শিরোনাম দিয়েছে, ‘নির্বাচনের আগে নির্বাসন থেকে দেশে ফিরেছেন শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশ নেতা’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলটি আশা করছে, তার এই প্রত্যাবর্তন সমর্থকদের উজ্জীবিত করবেন। ফেব্রুয়ারি ১২ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে তাকে।

এএফপির প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- ‘নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৭ বছর পর দেশে ফিরলেন খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি’।

ফরাসি বার্তা সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা পরিবারের উত্তরসূরি এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের নেতা তারিক রহমান দেশে ফিরছেন। তার মা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তারেক জিয়া তার মায়ের থেকে বিএনপির দায়িত্ব বুঝে নেবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি লিখেছে, ‘বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ নেতা ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন।’

তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি লিখেছে, ‘১৭ বছর নির্বাসিত থাকার পর দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী তারেক রহমান।’

‘১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিরোধী দলীয় নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরেছেন’— শিরোনামের প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা লিখেছে, বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন শাসক পরিবারের উত্তরাধিকারী এবং দেশের শক্তিশালী বিরোধী দলের নেতা তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনের পর দেশে ফিরেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে তারেক রহমানের ফেরার খবরের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্লেষণ চলছে। তারা দাবি করছে, তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা ভারতের জন্য ভালো খবর।

এনডিটিভির সংবার শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরলেন: নির্বাসনের সময়টি যেমন ছিল।

ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। কেন এটি ভারতের জন্য ভালো খরব?’ তারাও তাদের মতো করে খবরের বিশ্লেষণ করেছে।

দ্য উইক তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘তারেক রহমানের ফেরা কি ভারতের জন্য ভালো খবর?’ এরপর তারা এ নিয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়েছে।

কলকাতা-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের শিরোনাম, ‘সপরিবার বাংলাদেশে ফিরলেন তারেক রহমান! ১৭ বছর পর খালেদা-পুত্রের প্রত্যাবর্তন আশা জোগাচ্ছে বিএনপিকে’।

পৃথক প্রতিবেদনে ‘১৮ মাস কারাবাসের পর কেন, কোন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে যান তারেক, ফিরে দেখা ১৭ বছর আগের ঘটনাক্রম’— শিরোনামে গত ১৭ বছরের বিভিন্ন ঘটনা বিশ্লেষণ করেছে বাংলা ভাষার প্রত্রিকাটি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ব গণমাধ্যমে তারেক রহমানের স্বদেশে ফেরার খবর

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

এক-এগারোর সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাত্রা, এরপর পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ষড়যন্ত্রে সেখানেই প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হওয়া- অবশেষে দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের খবর খবর গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের শিরোনাম দিয়েছে, ‘নির্বাচনের আগে নির্বাসন থেকে দেশে ফিরেছেন শীর্ষ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশ নেতা’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ঢাকায় ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলটি আশা করছে, তার এই প্রত্যাবর্তন সমর্থকদের উজ্জীবিত করবেন। ফেব্রুয়ারি ১২ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শীর্ষ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে তাকে।

এএফপির প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল- ‘নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৭ বছর পর দেশে ফিরলেন খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি’।

ফরাসি বার্তা সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা পরিবারের উত্তরসূরি এবং সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের নেতা তারিক রহমান দেশে ফিরছেন। তার মা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, তারেক জিয়া তার মায়ের থেকে বিএনপির দায়িত্ব বুঝে নেবেন এমন ধারণা করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি লিখেছে, ‘বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ নেতা ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন।’

তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি লিখেছে, ‘১৭ বছর নির্বাসিত থাকার পর দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী তারেক রহমান।’

‘১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে বিরোধী দলীয় নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরেছেন’— শিরোনামের প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা লিখেছে, বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন শাসক পরিবারের উত্তরাধিকারী এবং দেশের শক্তিশালী বিরোধী দলের নেতা তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর নির্বাসনের পর দেশে ফিরেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে তারেক রহমানের ফেরার খবরের পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্লেষণ চলছে। তারা দাবি করছে, তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা ভারতের জন্য ভালো খবর।

এনডিটিভির সংবার শিরোনাম ছিল- খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশে ফিরলেন: নির্বাসনের সময়টি যেমন ছিল।

ইন্ডিয়া টুডে তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান দেশে ফিরেছেন। কেন এটি ভারতের জন্য ভালো খরব?’ তারাও তাদের মতো করে খবরের বিশ্লেষণ করেছে।

দ্য উইক তাদের শিরোনামে লিখেছে, ‘তারেক রহমানের ফেরা কি ভারতের জন্য ভালো খবর?’ এরপর তারা এ নিয়ে নিজেদের বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়েছে।

কলকাতা-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের শিরোনাম, ‘সপরিবার বাংলাদেশে ফিরলেন তারেক রহমান! ১৭ বছর পর খালেদা-পুত্রের প্রত্যাবর্তন আশা জোগাচ্ছে বিএনপিকে’।

পৃথক প্রতিবেদনে ‘১৮ মাস কারাবাসের পর কেন, কোন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ছেড়ে লন্ডনে যান তারেক, ফিরে দেখা ১৭ বছর আগের ঘটনাক্রম’— শিরোনামে গত ১৭ বছরের বিভিন্ন ঘটনা বিশ্লেষণ করেছে বাংলা ভাষার প্রত্রিকাটি।