ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

পাকিস্তানে পুলিশের গাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৫

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। 

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, মঙ্গলবার খাইবার পাখতুনখোয়ার কারাক জেলার গুরগুরি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা প্রথমে সড়কে পুঁতে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গাড়িটি থামিয়ে দেয়। এরপর পুলিশ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে চার কনস্টেবল ও গাড়ির চালক নিহত হন।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র শওকত খান হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেছেন, পুলিশের টহল দলটি একটি বেসরকারি গ্যাস কোম্পানির নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল।

তিনি বলেন, জেলা পুলিশ অফিসারসহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ পুলিশ সদস্যদের শাহাদাতের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে কোনো গোষ্ঠী এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এর পেছনে আফগান তালেবানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পাকিস্তানি ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর হাত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন কর্মকর্তারা।

মূলত, ২০২২ সালের শেষের দিকে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাহার করার পর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশের ওপর ব্যাপকহারে হামলা চালিয়ে আসছে টিটিপি। বিশেষ করে খাইবার-পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তানে তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পুলিশ ও সামরিক বাহিনী সদস্যরা তাদের ধারাবাহিক হামলার শিকার হয়েছে।

গত ২০ নভেম্বর ডেরা ইসমাইল খানে একটি পুলিশের টহল গাড়িতে কোমা হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য নিহত এবং চারজন আহত হন। এরআগে গত অক্টোবরে, সন্ত্রাসীরা ডেরা ইসমাইল খানের পুলিশ ট্রেনিং স্কুলেও আক্রমণ করে। সন্ত্রাসী হামলায় প্রশিক্ষণার্থীসহ ছয় পুলিশ সদস্য শহীদ হন এবং ১২ জন পুলিশ সদস্য এবং একজন বেসামরিক নাগরিকসহ ১৩ জন আহত হন।

সূত্র: ডন, জিও নিউজ

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানে পুলিশের গাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৫

আপডেট সময় : ০৮:২৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। 

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, মঙ্গলবার খাইবার পাখতুনখোয়ার কারাক জেলার গুরগুরি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসীরা প্রথমে সড়কে পুঁতে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গাড়িটি থামিয়ে দেয়। এরপর পুলিশ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে চার কনস্টেবল ও গাড়ির চালক নিহত হন।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র শওকত খান হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেছেন, পুলিশের টহল দলটি একটি বেসরকারি গ্যাস কোম্পানির নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল।

তিনি বলেন, জেলা পুলিশ অফিসারসহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ পুলিশ সদস্যদের শাহাদাতের জন্য শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে কোনো গোষ্ঠী এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এর পেছনে আফগান তালেবানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পাকিস্তানি ইসলামপন্থী জঙ্গি গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর হাত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন কর্মকর্তারা।

মূলত, ২০২২ সালের শেষের দিকে পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রত্যাহার করার পর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী ও পুলিশের ওপর ব্যাপকহারে হামলা চালিয়ে আসছে টিটিপি। বিশেষ করে খাইবার-পাখতুনখোয়া এবং বেলুচিস্তানে তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পুলিশ ও সামরিক বাহিনী সদস্যরা তাদের ধারাবাহিক হামলার শিকার হয়েছে।

গত ২০ নভেম্বর ডেরা ইসমাইল খানে একটি পুলিশের টহল গাড়িতে কোমা হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য নিহত এবং চারজন আহত হন। এরআগে গত অক্টোবরে, সন্ত্রাসীরা ডেরা ইসমাইল খানের পুলিশ ট্রেনিং স্কুলেও আক্রমণ করে। সন্ত্রাসী হামলায় প্রশিক্ষণার্থীসহ ছয় পুলিশ সদস্য শহীদ হন এবং ১২ জন পুলিশ সদস্য এবং একজন বেসামরিক নাগরিকসহ ১৩ জন আহত হন।

সূত্র: ডন, জিও নিউজ