ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ফিলিস্তিনসহ ৬ দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়িয়ে আরও ছয়টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। নতুন তালিকায় সিরিয়ার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীরাও রয়েছেন- এমনটাই জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে হোয়াইট হাউস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এটি অভিবাসন নীতি কঠোর করার ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানের অংশ।

হোয়াইট হাউস জানায়, বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ আরও সীমিত ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ট্রাম্প একটি প্রোক্লামেশনও স্বাক্ষর করেছেন।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, এই ঘোষণার আওতায় বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর আগে আরও ১২টি দেশ ইতোমধ্যে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদের ক্ষেত্রেও পূর্ণ প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কঠোর অভিবাসন নীতি জরুরি। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাকে তিনি তার রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছেন। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকবে বা বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

এর আগেও ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্সির সময়ে একাধিকবার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ও সম্প্রসারণ করেছেন। এসব সিদ্ধান্ত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরাবরই এগুলোকে বৈধ ও প্রয়োজনীয় বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এসব দেশের নাগরিকরা কোনোভাবেই দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন না। পাশাপাশি সাতটি দেশের নাগরিকদের ভ্রমণের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

সেসময় পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো- আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। এ ছাড়া ট্রাম্প আরও যে সাতটি দেশের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন সেগুলো হলো- বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

সেসময় জারি করা নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। আমি এই আদেশ দিচ্ছি কারণ আমাদের দেশের নিরাপত্তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি হুমকির মুখে।’

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ফিলিস্তিনসহ ৬ দেশ

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়িয়ে আরও ছয়টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। নতুন তালিকায় সিরিয়ার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীরাও রয়েছেন- এমনটাই জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে হোয়াইট হাউস জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এটি অভিবাসন নীতি কঠোর করার ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানের অংশ।

হোয়াইট হাউস জানায়, বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ আরও সীমিত ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ট্রাম্প একটি প্রোক্লামেশনও স্বাক্ষর করেছেন।

টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, এই ঘোষণার আওতায় বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এর আগে আরও ১২টি দেশ ইতোমধ্যে একই ধরনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদের ক্ষেত্রেও পূর্ণ প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কঠোর অভিবাসন নীতি জরুরি। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাকে তিনি তার রাজনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছেন। নতুন এই নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকবে বা বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

এর আগেও ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্সির সময়ে একাধিকবার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ও সম্প্রসারণ করেছেন। এসব সিদ্ধান্ত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরাবরই এগুলোকে বৈধ ও প্রয়োজনীয় বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে গত জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নতুন নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এসব দেশের নাগরিকরা কোনোভাবেই দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন না। পাশাপাশি সাতটি দেশের নাগরিকদের ভ্রমণের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

সেসময় পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো- আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। এ ছাড়া ট্রাম্প আরও যে সাতটি দেশের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন সেগুলো হলো- বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা।

সেসময় জারি করা নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা। আমি এই আদেশ দিচ্ছি কারণ আমাদের দেশের নিরাপত্তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি হুমকির মুখে।’