ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন রামলীলা ময়দানের সমাবেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনীতিতে কী বার্তা দিচ্ছে? ২ নভেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? মাদরাসার গভর্নিং বডি বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি

মানসম্মত বেতন, সুদমুক্ত আবাসন ঋণসহ ১০ দাবি ইমামদের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

মানসম্মত বেতন কাঠামো প্রণয়ন, সুদমুক্ত আবাসন ঋণ চালু এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্ডসহ মোট ১০ দফা দাবি সরকারের কাছে উত্থাপন করেছে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থা বাংলাদেশ। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে ইমাম-খতিবদের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি মুফতি আবু তাহের আল মাদানী দাবিগুলো উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, দেশের মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য জাতীয়ভাবে একীকৃত ও ন্যূনতম জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন কাঠামো প্রণয়ন জরুরি।

দাবির মধ্যে রয়েছে—ইমাম-খতিবদের আবাসন সংকট নিরসনে ওয়াকফ তহবিল বা সরকারি সহায়তায় সুদমুক্ত গৃহঋণ চালু; মসজিদের বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল ‘ধর্মীয় স্থাপনা’ ক্যাটাগরিতে এনে বিশেষ হারে নির্ধারণ; ইমাম-খতিব ও তাঁদের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ সমাজসেবা কার্ড প্রবর্তন।

এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্রীয় সব সুবিধা প্রাপ্তিতে ইমাম-খতিব ও শিক্ষক সমাজকে ‘প্রথম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি’ হিসেবে ঘোষণা; যোগ্যতা ও চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে একটি একীভূত ডিজিটাল জাতীয় ইমাম ডাটাবেস তৈরি; ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের সময় হুমকি ও সহিংসতা রোধে ‘ইমাম সুরক্ষা ও মর্যাদা আইন’ প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।

সেমিনারে আরও বলা হয়, ইসলামিক গবেষণা, ফতোয়া প্রণয়ন, সামাজিক পুনর্বাসন ও সমাজে শান্তি রক্ষায় একটি কেন্দ্রীয় জাতীয় শুরা বোর্ড গঠন প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক দরিদ্র, প্রবীণ ও অসহায় ইমাম-খতিবদের সরকারি তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে হজ পালনের সুযোগ এবং ধর্মীয় বক্তব্য বা সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কারণে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে রক্ষায় বিশেষ আইনি সুরক্ষার দাবি তোলা হয়।

সংগঠনের নেতারা বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে ইমাম-খতিবদের পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ধর্মীয় সেবার মান আরও সুসংহত হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লির রাজপথে বিরোধীদের শক্তি প্রদর্শন, চাপে মোদি সরকার

মানসম্মত বেতন, সুদমুক্ত আবাসন ঋণসহ ১০ দাবি ইমামদের

আপডেট সময় : ০২:১২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

মানসম্মত বেতন কাঠামো প্রণয়ন, সুদমুক্ত আবাসন ঋণ চালু এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্ডসহ মোট ১০ দফা দাবি সরকারের কাছে উত্থাপন করেছে জাতীয় ইমাম ও খতিব সংস্থা বাংলাদেশ। শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে ইমাম-খতিবদের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করতে এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি মুফতি আবু তাহের আল মাদানী দাবিগুলো উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, দেশের মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের জন্য জাতীয়ভাবে একীকৃত ও ন্যূনতম জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন কাঠামো প্রণয়ন জরুরি।

দাবির মধ্যে রয়েছে—ইমাম-খতিবদের আবাসন সংকট নিরসনে ওয়াকফ তহবিল বা সরকারি সহায়তায় সুদমুক্ত গৃহঋণ চালু; মসজিদের বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল ‘ধর্মীয় স্থাপনা’ ক্যাটাগরিতে এনে বিশেষ হারে নির্ধারণ; ইমাম-খতিব ও তাঁদের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ সমাজসেবা কার্ড প্রবর্তন।

এ ছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্রীয় সব সুবিধা প্রাপ্তিতে ইমাম-খতিব ও শিক্ষক সমাজকে ‘প্রথম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শ্রেণি’ হিসেবে ঘোষণা; যোগ্যতা ও চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে একটি একীভূত ডিজিটাল জাতীয় ইমাম ডাটাবেস তৈরি; ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের সময় হুমকি ও সহিংসতা রোধে ‘ইমাম সুরক্ষা ও মর্যাদা আইন’ প্রণয়নের দাবি জানানো হয়।

সেমিনারে আরও বলা হয়, ইসলামিক গবেষণা, ফতোয়া প্রণয়ন, সামাজিক পুনর্বাসন ও সমাজে শান্তি রক্ষায় একটি কেন্দ্রীয় জাতীয় শুরা বোর্ড গঠন প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রতি বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক দরিদ্র, প্রবীণ ও অসহায় ইমাম-খতিবদের সরকারি তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে হজ পালনের সুযোগ এবং ধর্মীয় বক্তব্য বা সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কারণে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি থেকে রক্ষায় বিশেষ আইনি সুরক্ষার দাবি তোলা হয়।

সংগঠনের নেতারা বলেন, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে ইমাম-খতিবদের পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং ধর্মীয় সেবার মান আরও সুসংহত হবে।