ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

অবশেষে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে ‘আমজনতার দল’ ও ‘জনতার দল’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধনের আবেদন করে প্রথম ধাপে নিবন্ধন না পেলেও টানা ১২৫ ঘণ্টা অনশনের পর অবশেষে নতুন দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ‘আমজনতার দল’। একই সঙ্গে জনতার দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে ভোট আয়োজনকারী সাংবিধানিক এই সংস্থা।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘গতকাল দুটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়ে বাড়তি তথ্য অনুসন্ধানে তাদের নীতিগত সম্মতি হয়েছে যে নিবন্ধন দেওয়া হবে। একটা বাংলাদেশ জনতার দল, আরেকটা আম জনতার দল। এই দুটি দল নিয়ে আগামীকাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। এরপর দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি করে নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হবে।

এদিকে আজ দুপুরে নির্বাচন ভবনে দলের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে এসে আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান জানান, আমাদের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত জানতে এসেছিলাম। কমিশন থেকে জানানো হয়েছে আমাদের নিবন্ধন দেওয়া হবে এবং প্রতীক হিসেবে আমরা প্রজাপতি চেয়ে আবেদন করেছি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বেশ কয়েকটি নতুন দল নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিল। তবে প্রাথমিক যাচাইবাছাই ও মাঠের তথ্যের ভিত্তিতে ইসি মাত্র কয়েকটি দলকে নিবন্ধনের জন্য চূড়ান্ত করে। এই তালিকায় ‘আমজনতার দল’ ও ‘জনতার দল’ এর নাম ছিল না।

দলটির সদস্যসচিব তারেক রহমান অভিযোগ করেন, তাদের দলের সকল শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও রাজনৈতিক বিবেচনায় নিবন্ধন দেওয়া হয়নি।

ইসির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ৪ নভেম্বর থেকে থেকে তিনি নির্বাচন ভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন। তীব্র শীত ও অসুস্থতা উপেক্ষা করে টানা ১২৫ ঘণ্টা তিনি এই অনশন চালিয়ে যান। একই সময়ে ‘জনতার দল’ নিবন্ধনের দাবিতে ইসির কাছে তাদের চূড়ান্ত আবেদন পুনর্বিবেচনার দাবি জানায়।

অনশন চলাকালীন তারেক রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে ইসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ব্যাপক চাপের মুখে ইসি তারেক রহমানকে অনশন ভেঙে আপিলের পরামর্শ দেয়। তবে পরবর্তীতে ইসি এক জরুরি বৈঠকে কয়েকটি দলের আবেদন পুনর্বিবেচনা করে। পুনর্বিবেচনার প্রেক্ষিতেই এই দুটি দল নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে ইসির।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবশেষে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে ‘আমজনতার দল’ ও ‘জনতার দল’

আপডেট সময় : ০৪:৩১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধনের আবেদন করে প্রথম ধাপে নিবন্ধন না পেলেও টানা ১২৫ ঘণ্টা অনশনের পর অবশেষে নতুন দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ‘আমজনতার দল’। একই সঙ্গে জনতার দলকে নিবন্ধন দিচ্ছে ভোট আয়োজনকারী সাংবিধানিক এই সংস্থা।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘গতকাল দুটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়ে বাড়তি তথ্য অনুসন্ধানে তাদের নীতিগত সম্মতি হয়েছে যে নিবন্ধন দেওয়া হবে। একটা বাংলাদেশ জনতার দল, আরেকটা আম জনতার দল। এই দুটি দল নিয়ে আগামীকাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। এরপর দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি করে নিবন্ধন চূড়ান্ত করা হবে।

এদিকে আজ দুপুরে নির্বাচন ভবনে দলের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে এসে আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান জানান, আমাদের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত জানতে এসেছিলাম। কমিশন থেকে জানানো হয়েছে আমাদের নিবন্ধন দেওয়া হবে এবং প্রতীক হিসেবে আমরা প্রজাপতি চেয়ে আবেদন করেছি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বেশ কয়েকটি নতুন দল নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিল। তবে প্রাথমিক যাচাইবাছাই ও মাঠের তথ্যের ভিত্তিতে ইসি মাত্র কয়েকটি দলকে নিবন্ধনের জন্য চূড়ান্ত করে। এই তালিকায় ‘আমজনতার দল’ ও ‘জনতার দল’ এর নাম ছিল না।

দলটির সদস্যসচিব তারেক রহমান অভিযোগ করেন, তাদের দলের সকল শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও রাজনৈতিক বিবেচনায় নিবন্ধন দেওয়া হয়নি।

ইসির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ৪ নভেম্বর থেকে থেকে তিনি নির্বাচন ভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন। তীব্র শীত ও অসুস্থতা উপেক্ষা করে টানা ১২৫ ঘণ্টা তিনি এই অনশন চালিয়ে যান। একই সময়ে ‘জনতার দল’ নিবন্ধনের দাবিতে ইসির কাছে তাদের চূড়ান্ত আবেদন পুনর্বিবেচনার দাবি জানায়।

অনশন চলাকালীন তারেক রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে ইসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ব্যাপক চাপের মুখে ইসি তারেক রহমানকে অনশন ভেঙে আপিলের পরামর্শ দেয়। তবে পরবর্তীতে ইসি এক জরুরি বৈঠকে কয়েকটি দলের আবেদন পুনর্বিবেচনা করে। পুনর্বিবেচনার প্রেক্ষিতেই এই দুটি দল নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে ইসির।