ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শেখ হাসিনার রায় ঘিরে বিচারক ও প্রসিকিউটরদের হত্যার হুমকি, গ্রেফতার এক

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪১ বার পড়া হয়েছে

জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক ও প্রসিকিউটরদের হত্যার হুমকির ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশনের বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এরমধ্যে ভোলা থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচারপতি ও প্রসিকিউটরের ছবি ছড়িয়ে দিয়ে হুমকির সাথে জড়িত বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিকেও শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন তানভীর হাসান জোহা। 
জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে আনা ৫টি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং দুটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায়ে শেখ হাসিনা ও কামালের দেশে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা, ষড়যন্ত্র, উসকানি ও ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ের অভিযোগে বিচার হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে পাঁচটি অভিযোগগুলো হলো: গণভবনের সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, রংপুরে ছাত্র আবু সাঈদ হত্যা, চানখাঁরপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় হত্যা ও লাশ পোড়ানো।

এগুলোর মধ্যে শেষ তিনটি অভিযোগে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর প্রথম দুই অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়।
রায় ঘোষণার আগে প্রসিকিউশন টিমের সদস্যরা সাংবাদিকদের জানান, রোববার রাত থেকে তাদের প্রত্যেককে হুমকি দেয়া হয়েছে এবং অকথ্য গালিগালাজ করা হয়।

তখন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, অসংখ্য ফোন পেয়েছি। এক পর্যায়ে ফোন বন্ধ করে দিয়েছি। একই ভাষা, একই কথা। নেত্রীর সাজা হলে আমাদের জীবন শেষ করে দেবে।
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনার রায় ঘিরে বিচারক ও প্রসিকিউটরদের হত্যার হুমকি, গ্রেফতার এক

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক ও প্রসিকিউটরদের হত্যার হুমকির ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশনের বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন তিনি। এরমধ্যে ভোলা থেকে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচারপতি ও প্রসিকিউটরের ছবি ছড়িয়ে দিয়ে হুমকির সাথে জড়িত বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিকেও শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন তানভীর হাসান জোহা। 
জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার বিরুদ্ধে আনা ৫টি অভিযোগের মধ্যে তিনটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং দুটিতে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলায় রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায়ে শেখ হাসিনা ও কামালের দেশে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা, ষড়যন্ত্র, উসকানি ও ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়ের অভিযোগে বিচার হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে পাঁচটি অভিযোগগুলো হলো: গণভবনের সংবাদ সম্মেলনে উসকানিমূলক বক্তব্য, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, রংপুরে ছাত্র আবু সাঈদ হত্যা, চানখাঁরপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় হত্যা ও লাশ পোড়ানো।

এগুলোর মধ্যে শেষ তিনটি অভিযোগে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। আর প্রথম দুই অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়।
রায় ঘোষণার আগে প্রসিকিউশন টিমের সদস্যরা সাংবাদিকদের জানান, রোববার রাত থেকে তাদের প্রত্যেককে হুমকি দেয়া হয়েছে এবং অকথ্য গালিগালাজ করা হয়।

তখন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, অসংখ্য ফোন পেয়েছি। এক পর্যায়ে ফোন বন্ধ করে দিয়েছি। একই ভাষা, একই কথা। নেত্রীর সাজা হলে আমাদের জীবন শেষ করে দেবে।