ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

অর্থদাতাদের খুঁজছে পুলিশ আ.লীগের ঝটিকা মিছিলে গেলে ৫ হাজার টাকা, ব্যানার ধরলে ৮

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ বলছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব কর্মসূচি। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। মিছিলের জন্য যারা টাকা দিচ্ছে, খুঁজে বের করা হবে তাদেরও।

মিছিলে অংশ নিলে পাঁচ হাজার আর ব্যানার ধরলে আট হাজার টাকা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে দেওয়া হচ্ছে এই টাকা। ঝটিকা মিছিলের জন্য কর্মী-সমর্থকদের আনা হচ্ছে বিভিন্ন জেলা থেকেও। রাজধানীতে গত ১০ মাসে এসব মিছিল থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর এ বছরের মে মাসে নিষিদ্ধ করা হয় সংগঠনটির কার্যক্রম। এরপরও হঠাৎ রাজধানীর সড়ক কিংবা দেশের অন্য কোনো স্থানে দেখা যায় কর্মী-সমর্থকদের ঝটিকা মিছিল।

এসব মিছিল থেকে ককটেল ফাটিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর ঘটনাও ঘটেছে। কোথাও কোথাও বাস লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও ছোড়েন মিছিলকারীরা।ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ায় গত ১০ মাসে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৩ হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

পুলিশ বলছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব কর্মসূচি। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। মিছিলের জন্য যারা টাকা দিচ্ছে, খুঁজে বের করা হবে তাদেরও।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী যারা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ করে শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে, এমন যাদের শনাক্ত করা হয়েছে তাদের আমরা গ্রেপ্তার করছি। যারা তাদের আশ্রয় দিচ্ছে, ইন্ধন দিচ্ছে, অর্থ সহায়তা দিচ্ছে তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনছি।

টাকা নিয়ে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা হামলার ঘটনা ঘটাতে পারে, শঙ্কা বিশ্লেষকের।

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধ্যমতো অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। তারা শুধু গ্রেপ্তারই করতে পারবে, কত গ্রেপ্তার করবে।

নির্বাচনের আগে জনমনে স্বস্তি আনতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল বা সংগঠনের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরো বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অর্থদাতাদের খুঁজছে পুলিশ আ.লীগের ঝটিকা মিছিলে গেলে ৫ হাজার টাকা, ব্যানার ধরলে ৮

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

পুলিশ বলছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব কর্মসূচি। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। মিছিলের জন্য যারা টাকা দিচ্ছে, খুঁজে বের করা হবে তাদেরও।

মিছিলে অংশ নিলে পাঁচ হাজার আর ব্যানার ধরলে আট হাজার টাকা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে দেওয়া হচ্ছে এই টাকা। ঝটিকা মিছিলের জন্য কর্মী-সমর্থকদের আনা হচ্ছে বিভিন্ন জেলা থেকেও। রাজধানীতে গত ১০ মাসে এসব মিছিল থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর এ বছরের মে মাসে নিষিদ্ধ করা হয় সংগঠনটির কার্যক্রম। এরপরও হঠাৎ রাজধানীর সড়ক কিংবা দেশের অন্য কোনো স্থানে দেখা যায় কর্মী-সমর্থকদের ঝটিকা মিছিল।

এসব মিছিল থেকে ককটেল ফাটিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর ঘটনাও ঘটেছে। কোথাও কোথাও বাস লক্ষ্য করে ইট-পাটকেলও ছোড়েন মিছিলকারীরা।ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ায় গত ১০ মাসে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৩ হাজার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

পুলিশ বলছে, রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, নাশকতার উদ্দেশ্যেই এসব কর্মসূচি। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের কাছ থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। মিছিলের জন্য যারা টাকা দিচ্ছে, খুঁজে বের করা হবে তাদেরও।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী যারা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ করে শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে, এমন যাদের শনাক্ত করা হয়েছে তাদের আমরা গ্রেপ্তার করছি। যারা তাদের আশ্রয় দিচ্ছে, ইন্ধন দিচ্ছে, অর্থ সহায়তা দিচ্ছে তাদেরও আমরা আইনের আওতায় আনছি।

টাকা নিয়ে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা কিংবা হামলার ঘটনা ঘটাতে পারে, শঙ্কা বিশ্লেষকের।

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক বলেন, পুলিশ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধ্যমতো অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না। তারা শুধু গ্রেপ্তারই করতে পারবে, কত গ্রেপ্তার করবে।

নির্বাচনের আগে জনমনে স্বস্তি আনতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল বা সংগঠনের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরো বাড়ানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের।