ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

‘দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

আইডিইবির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অবকাঠামো ও শিল্প থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে তাদের সেবা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। একটি বৃহত্তর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে আইডিইবি এই দক্ষ কর্মীবাহিনীকে লালন-পালন, কারিগরি শিক্ষার প্রচার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে।’

‘গণপ্রকৌশল দিবস’ ও আইডিইবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস, বাংলাদেশের (আইডিইবি) ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

আইডিইবি প্রতি বছর ৮ নভেম্বর ‘গণপ্রকৌশল দিবস’ পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘দক্ষ জনশক্তি— দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’।

প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘একটি জাতির প্রকৃত শক্তি কেবল তার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেই নয়, বরং তার জনগণের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মধ্যেও নিহিত। অব্যাহত প্রতিশ্রুতি, পেশাদারত্ব উদ্ভাবনের চেতনার মাধ্যমে আইডিইবির সদস্যরা আমাদের জাতি গঠনের প্রচেষ্টার অগ্রভাগে থাকবেন। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও আমাদের জাতীয় আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’

প্রধান উপদেষ্টা ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে সপ্তাহব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন হতে যাচ্ছে আইডিইবির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫। গত বৃহস্পতিবার কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৯ নভেম্বর সকাল ১০টায় আইডিইবি ভবনে শোভাযাত্রাপূর্ব আলোচনা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং ১০ নভেম্বর বিকেল ৪টায় আইডিইবি ভবনে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে ‘দক্ষ জনশক্তি— দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আজ বিকেল ৪টায় ঢাকার কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে প্রয়াত নেতা ও সদস্য প্রকৌশলীদের স্মরণে দোয়া, সন্ধ্যায় বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে নেতাদের অংশগ্রহণে দিবসের প্রেক্ষাপটে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান সম্প্রচার ও ১১ নভেম্বর বিকেলে পারিবারিক মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

গণপ্রকৌশল দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণের প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করে আইডিইবির পক্ষে জানানো হয়, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি দ্রুত কাজের দৃশ্যপট পরিবর্তন করছে, দক্ষ জনশক্তির চাহিদা আগে কখনও এত বেশি ছিল না। অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও ডিজিটাল উৎপাদন শিল্পগুলোকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করছে। প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকতে হলে বাংলাদেশকে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্রমাগত পেশাদার প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ প্রয়োজন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

আপডেট সময় : ১২:৫১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

আইডিইবির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অবকাঠামো ও শিল্প থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে তাদের সেবা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা আমাদের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। একটি বৃহত্তর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে আইডিইবি এই দক্ষ কর্মীবাহিনীকে লালন-পালন, কারিগরি শিক্ষার প্রচার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে।’

‘গণপ্রকৌশল দিবস’ ও আইডিইবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫ ও ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস, বাংলাদেশের (আইডিইবি) ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সব সদস্যকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

আইডিইবি প্রতি বছর ৮ নভেম্বর ‘গণপ্রকৌশল দিবস’ পালন করে থাকে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘দক্ষ জনশক্তি— দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’।

প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ‘একটি জাতির প্রকৃত শক্তি কেবল তার প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেই নয়, বরং তার জনগণের জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার মধ্যেও নিহিত। অব্যাহত প্রতিশ্রুতি, পেশাদারত্ব উদ্ভাবনের চেতনার মাধ্যমে আইডিইবির সদস্যরা আমাদের জাতি গঠনের প্রচেষ্টার অগ্রভাগে থাকবেন। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও আমাদের জাতীয় আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’

প্রধান উপদেষ্টা ‘গণপ্রকৌশল দিবস ও আইডিইবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে সপ্তাহব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন হতে যাচ্ছে আইডিইবির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৫। গত বৃহস্পতিবার কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনের আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৯ নভেম্বর সকাল ১০টায় আইডিইবি ভবনে শোভাযাত্রাপূর্ব আলোচনা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং ১০ নভেম্বর বিকেল ৪টায় আইডিইবি ভবনে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে ‘দক্ষ জনশক্তি— দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আজ বিকেল ৪টায় ঢাকার কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে প্রয়াত নেতা ও সদস্য প্রকৌশলীদের স্মরণে দোয়া, সন্ধ্যায় বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতারে নেতাদের অংশগ্রহণে দিবসের প্রেক্ষাপটে বিশেষ আলেখ্যানুষ্ঠান সম্প্রচার ও ১১ নভেম্বর বিকেলে পারিবারিক মিলনমেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

গণপ্রকৌশল দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণের প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করে আইডিইবির পক্ষে জানানো হয়, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি দ্রুত কাজের দৃশ্যপট পরিবর্তন করছে, দক্ষ জনশক্তির চাহিদা আগে কখনও এত বেশি ছিল না। অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও ডিজিটাল উৎপাদন শিল্পগুলোকে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করছে। প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকতে হলে বাংলাদেশকে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্রমাগত পেশাদার প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ প্রয়োজন।