ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বিক্রি বেড়েও বড় লোকসান সিঙ্গার বাংলাদেশের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) বড় ধরনের লোকসানে পড়েছে প্রকৌশল খাতের বহুজাতিক কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড। আলোচ্য সময়ে বিক্রি বাড়লেও কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা।

কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে সিঙ্গার বাংলাদেশের বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা।

তবে বিক্রি বাড়লেও মুনাফার পরিবর্তে ক্ষতি বেড়েছে বহুগুণ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যেখানে আগের হিসাব বছরে মুনাফা ছিল ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা।

এই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ৪২ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৯ পয়সা।

সিঙ্গার বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেলেও প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের দাম বাড়ানো সম্ভব হয়নি। এছাড়া বাজারে টিকে থাকতে বিভিন্ন অফার, ছাড় ও প্রচারণা কার্যক্রমে ব্যয় বেড়েছে, পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় ও সুদ ব্যয়ও লোকসান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

কোম্পানির দাবি, নতুন কারখানা চালু হলে উৎপাদন সক্ষমতা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে, যা ব্যয় কমাবে এবং কোম্পানিকে আগামী বছরগুলোতে পুনরায় লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল সিঙ্গার বাংলাদেশ। ওই বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫ টাকা ২৪ পয়সা, আর চলতি বছরে সেটি নেমে এসেছে শেয়ারপ্রতি ৪ টাকা ৯১ পয়সা লোকসানে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ২৫ টাকা ৮১ পয়সা।

সিঙ্গার বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৫৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৯৭ লাখ ২ হাজার ৮৩৮টি।

এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৫৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৯.৯১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৩.০৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিক্রি বেড়েও বড় লোকসান সিঙ্গার বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৫:৫১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) বড় ধরনের লোকসানে পড়েছে প্রকৌশল খাতের বহুজাতিক কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড। আলোচ্য সময়ে বিক্রি বাড়লেও কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা।

কোম্পানির তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের প্রথম ৯ মাসে সিঙ্গার বাংলাদেশের বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা।

তবে বিক্রি বাড়লেও মুনাফার পরিবর্তে ক্ষতি বেড়েছে বহুগুণ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১১৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যেখানে আগের হিসাব বছরে মুনাফা ছিল ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা।

এই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ৪২ পয়সা, যা গত বছর একই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৯ পয়সা।

সিঙ্গার বাংলাদেশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেলেও প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের দাম বাড়ানো সম্ভব হয়নি। এছাড়া বাজারে টিকে থাকতে বিভিন্ন অফার, ছাড় ও প্রচারণা কার্যক্রমে ব্যয় বেড়েছে, পাশাপাশি পরিচালন ব্যয় ও সুদ ব্যয়ও লোকসান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

কোম্পানির দাবি, নতুন কারখানা চালু হলে উৎপাদন সক্ষমতা তিন গুণ বৃদ্ধি পাবে, যা ব্যয় কমাবে এবং কোম্পানিকে আগামী বছরগুলোতে পুনরায় লাভজনক অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে সমাপ্ত হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল সিঙ্গার বাংলাদেশ। ওই বছরে শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫ টাকা ২৪ পয়সা, আর চলতি বছরে সেটি নেমে এসেছে শেয়ারপ্রতি ৪ টাকা ৯১ পয়সা লোকসানে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানির এনএভিপিএস ছিল ২৫ টাকা ৮১ পয়সা।

সিঙ্গার বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৯৯ কোটি ৭০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৫৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৯৭ লাখ ২ হাজার ৮৩৮টি।

এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ৫৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৯.৯১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে ১৩.০৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।