ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

মুক্তিপণ দিতে না পারায় প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

সেনেগালের ১৮ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক শেখ তোরে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশি ক্লাবের ট্রায়ালে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নই তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তিনি অপহরণের শিকার হন এবং পরে নির্মমভাবে খুন হন।

শেখ তোরে সেনেগালের ‘এস্প্রি ফুট ইয়েমবেল’ ফুটবল একাডেমির একজন শিক্ষানবিশ গোলরক্ষক ছিলেন। উন্নত প্রশিক্ষণের লোভ দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র তাকে পার্শ্ববর্তী দেশ ঘানায় নিয়ে যায়। ঘানায় পৌঁছানোর পরই তাকে অপহরণ করে ওই চক্র এবং তার পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তোরের পরিবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুক্তিপণের অর্থ জোগাড় করতে না পারায় প্রতারক চক্রটি তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় সেনেগাল ও ঘানার ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে দুই দেশের সরকার যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে এবং নিহত শেখ তোরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুক্তিপণ দিতে না পারায় প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

আপডেট সময় : ১২:১৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

সেনেগালের ১৮ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক শেখ তোরে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশি ক্লাবের ট্রায়ালে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নই তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তিনি অপহরণের শিকার হন এবং পরে নির্মমভাবে খুন হন।

শেখ তোরে সেনেগালের ‘এস্প্রি ফুট ইয়েমবেল’ ফুটবল একাডেমির একজন শিক্ষানবিশ গোলরক্ষক ছিলেন। উন্নত প্রশিক্ষণের লোভ দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র তাকে পার্শ্ববর্তী দেশ ঘানায় নিয়ে যায়। ঘানায় পৌঁছানোর পরই তাকে অপহরণ করে ওই চক্র এবং তার পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তোরের পরিবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুক্তিপণের অর্থ জোগাড় করতে না পারায় প্রতারক চক্রটি তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় সেনেগাল ও ঘানার ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে দুই দেশের সরকার যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে এবং নিহত শেখ তোরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।