ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সাক্ষাৎকারে সামান্তা শারমিন জামায়াত ক্ষমতায় এলে ফেরার আশঙ্কা আওয়ামী লীগের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, ‘জামায়াত আর আওয়ামী লীগ মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এ দুই দলের গঠনপ্রক্রিয়া, ইন্টারনাল মেকানিজম এবং রাষ্ট্রকল্প একই ধরনের। দুটি দলই একে অন্যকে ব্যবহার করে রাজনীতি করে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার আশঙ্কা আছে। আওয়ামী লীগ তখন দেশের এবং দেশের বাইরের অনেক শক্তিকে এটা দেখানোর চেষ্টা করবে যে বাংলাদেশ ইসলামি চরমপন্থিদের হাতে চলে যাচ্ছে। এভাবে আওয়ামী লীগ তার প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করবে।’ গণমাধ্যকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সামান্তা শারমিন বলেন, ‘রাজনীতিতে জামায়াত অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে আওয়ামী লীগের কারণে। আওয়ামী লীগ তাদের কোণঠাসা করেছে এতে জামায়াতের ইন্টারনাল সক্ষমতা বেড়েছে। এটা আওয়ামী লীগেরই একটা প্ল্যান যে জামায়াত যত শক্তিশালী থাকবে আওয়ামী লীগ তত শক্তিশালী থাকবে। এটা তাদের একটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার অংশ।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত এখন আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। সিভিল সোসাইটিতে আওয়ামী লীগের পক্ষের অনেকে সোচ্চার। আওয়ামী লীগের পক্ষের ভোটটা কোথায় যাবে এটা নিয়ে তারা প্রশ্ন করছে। জামায়াত চেষ্টা করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ভোটটা যেন তাদের থাকে।’

এনসিপি নেত্রী আরও বলেন, ‘জামায়াত এখানে পুরোপুরি আওয়ামী লীগকে আবার পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করছে। জামায়াত নেতারা আওয়ামী লীগের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের বলে আসছেন যে জামায়াত আপনাদের ক্ষতি করবে না। আমরা ক্ষমতায় এলে আপনাদের দেখব। সাভার অঞ্চলে যত আওয়ামী লীগের নেতা, যারা জেলে আছেন তাদের পক্ষে লড়ছেন জামায়াতের একজন সেলিব্রেটি আইনজীবী।

তিনি এর আগেও, কিছু বিতর্কিতের পক্ষে লড়ছিলেন। এটা টাকার জন্য নাকি রাজনীতি? এ নিয়ে সমালোচনা হলে নানান রকমের ব্যাখ্যাও তিনি দিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃত ব্যাপারটা আসলে হত্যাকারীর পক্ষে দাঁড়ানো। এটা তিনি সামলে ফেলতে পারবেন বলে সাহসও দেখাচ্ছেন!’

তিনি বলেন, ‘মানুষ দেখে আসছে যে আওয়ামী লীগ আর জামায়াত হচ্ছে অ্যান্টি। জামায়াত একসময় বিএনপির কাঁধে সওয়ার হয়ে চারদলীয় জোটে গিয়ে সরকারের অংশ হয়েছিল। বিএনপি তখন এটা সামাল দিতে পারে নাই। বিএনপি আর জামায়াতের পক্ষে আসলে বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি করা খুব কঠিন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত তিন দলের পক্ষেই বাংলাদেশপন্থি এবং বাংলাদেশের নাগরিক মর্যাদাপন্থি রাজনীতি করা খুবই কঠিন। কারণ এ দলগুলো কখন কীভাবে কার বিরুদ্ধে বা পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে পড়ে তা দলীয় দিক থেকে তাদের খেয়াল থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠিত এ রাজনৈতিক দলগুলোর কোনোটির সঙ্গেই এনসিপির যে রাষ্ট্রকল্প, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তার মিল নাই। এ কারণে এনসিপি এ পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে কোনোভাবেই পাশাপাশি চলতে বাধ্য নয়। আমরা নিজেদের জোট গঠনের চেষ্টা করব অথবা আমরা নিজেদের সক্ষমতা এককভাবে এ নির্বাচনেই পরখ করে দেখতে চাই।’

সামান্তা বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসের স্টার্টিং পয়েন্ট ১৯৭১। যেটা গণমানুষের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ ছিনিয়ে নিয়েছিল। আওয়ামী লীগের হাত থেকে মুক্তিযুদ্ধকে মুক্ত করতে ২০২৪ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। এখন আবার জামায়াত ’২৪কে ’৭১-এর মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাইছে। জামায়াত চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগের হয়ে ’৭১কে আবার আমাদের হাত থেকে নিয়ে যাওয়ার। মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাইয়ের প্রেক্ষাপটটা আসলে একই। জনগণের চাওয়াটাও একই। পার্থক্য শুধু এটুকুই যে আমরা বর্তমান নতুন প্রজন্ম ’৭১কে পাই নাই।’

আসন্ন জাতীয় সংসদকেন্দ্রিক নির্বাচনি প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতির আগে দেখতে হবে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কেমন? বর্তমান নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রশ্নবিদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম, কথাবার্তা এবং যে পলিসি পুরোটাই অসংস্কারকৃত। এ অবৈধ, অসংস্কারকৃত নির্বাচন কমিশন ফ্যাসিজমকে পুনরুজ্জীবিত করবে। এ নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই একটা ফেয়ার ইলেকশন দিতে পারবে না। এটার কোনো নিদর্শন এ কমিশনের নাই। শুধু শাপলা প্রতীক দিয়েই এর উদাহরণ দেওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর নির্বাচন কমিশনের কয়জন আমলাকে পরিবর্তন করা হয়েছে? কে কে নিয়োগ পেয়েছেন? তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কী? তারা কার দ্বারা সুপারিশপ্রাপ্ত এবং এখন যারা কাজ করছেন তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম কী? এসব প্রশ্নের সুষ্ঠু উত্তর খুঁজতে হবে। আমরা দেখেছি এখন পর্যন্ত ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারের নাম মুছে ফেলা হয় নাই। এটা নিয়ে তাদের কোনো উদ্যোগও নাই। একটা অপর্যাপ্ত এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভলি দুর্বল প্রশাসন দিয়ে এ ইসি চালানো হচ্ছে। দলীয়ভাবে আমার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আগে আমাকে জানতে হবে, রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কী? তিনটি অবৈধ ইলেকশনের পরে একটি ইলেকশন হতে যাচ্ছে সেটা নিয়ে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কী? আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী পরে দেব।’

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাক্ষাৎকারে সামান্তা শারমিন জামায়াত ক্ষমতায় এলে ফেরার আশঙ্কা আওয়ামী লীগের

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, ‘জামায়াত আর আওয়ামী লীগ মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। এ দুই দলের গঠনপ্রক্রিয়া, ইন্টারনাল মেকানিজম এবং রাষ্ট্রকল্প একই ধরনের। দুটি দলই একে অন্যকে ব্যবহার করে রাজনীতি করে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার আশঙ্কা আছে। আওয়ামী লীগ তখন দেশের এবং দেশের বাইরের অনেক শক্তিকে এটা দেখানোর চেষ্টা করবে যে বাংলাদেশ ইসলামি চরমপন্থিদের হাতে চলে যাচ্ছে। এভাবে আওয়ামী লীগ তার প্রাসঙ্গিকতা তৈরি করবে।’ গণমাধ্যকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

সামান্তা শারমিন বলেন, ‘রাজনীতিতে জামায়াত অনেক বেশি শক্তিশালী হয়েছে আওয়ামী লীগের কারণে। আওয়ামী লীগ তাদের কোণঠাসা করেছে এতে জামায়াতের ইন্টারনাল সক্ষমতা বেড়েছে। এটা আওয়ামী লীগেরই একটা প্ল্যান যে জামায়াত যত শক্তিশালী থাকবে আওয়ামী লীগ তত শক্তিশালী থাকবে। এটা তাদের একটা পারস্পরিক বোঝাপড়ার অংশ।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াত এখন আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করছে। সিভিল সোসাইটিতে আওয়ামী লীগের পক্ষের অনেকে সোচ্চার। আওয়ামী লীগের পক্ষের ভোটটা কোথায় যাবে এটা নিয়ে তারা প্রশ্ন করছে। জামায়াত চেষ্টা করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ভোটটা যেন তাদের থাকে।’

এনসিপি নেত্রী আরও বলেন, ‘জামায়াত এখানে পুরোপুরি আওয়ামী লীগকে আবার পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করছে। জামায়াত নেতারা আওয়ামী লীগের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের বলে আসছেন যে জামায়াত আপনাদের ক্ষতি করবে না। আমরা ক্ষমতায় এলে আপনাদের দেখব। সাভার অঞ্চলে যত আওয়ামী লীগের নেতা, যারা জেলে আছেন তাদের পক্ষে লড়ছেন জামায়াতের একজন সেলিব্রেটি আইনজীবী।

তিনি এর আগেও, কিছু বিতর্কিতের পক্ষে লড়ছিলেন। এটা টাকার জন্য নাকি রাজনীতি? এ নিয়ে সমালোচনা হলে নানান রকমের ব্যাখ্যাও তিনি দিয়েছেন। কিন্তু প্রকৃত ব্যাপারটা আসলে হত্যাকারীর পক্ষে দাঁড়ানো। এটা তিনি সামলে ফেলতে পারবেন বলে সাহসও দেখাচ্ছেন!’

তিনি বলেন, ‘মানুষ দেখে আসছে যে আওয়ামী লীগ আর জামায়াত হচ্ছে অ্যান্টি। জামায়াত একসময় বিএনপির কাঁধে সওয়ার হয়ে চারদলীয় জোটে গিয়ে সরকারের অংশ হয়েছিল। বিএনপি তখন এটা সামাল দিতে পারে নাই। বিএনপি আর জামায়াতের পক্ষে আসলে বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি করা খুব কঠিন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত তিন দলের পক্ষেই বাংলাদেশপন্থি এবং বাংলাদেশের নাগরিক মর্যাদাপন্থি রাজনীতি করা খুবই কঠিন। কারণ এ দলগুলো কখন কীভাবে কার বিরুদ্ধে বা পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমে পড়ে তা দলীয় দিক থেকে তাদের খেয়াল থাকে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠিত এ রাজনৈতিক দলগুলোর কোনোটির সঙ্গেই এনসিপির যে রাষ্ট্রকল্প, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তার মিল নাই। এ কারণে এনসিপি এ পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে কোনোভাবেই পাশাপাশি চলতে বাধ্য নয়। আমরা নিজেদের জোট গঠনের চেষ্টা করব অথবা আমরা নিজেদের সক্ষমতা এককভাবে এ নির্বাচনেই পরখ করে দেখতে চাই।’

সামান্তা বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসের স্টার্টিং পয়েন্ট ১৯৭১। যেটা গণমানুষের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ ছিনিয়ে নিয়েছিল। আওয়ামী লীগের হাত থেকে মুক্তিযুদ্ধকে মুক্ত করতে ২০২৪ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। এখন আবার জামায়াত ’২৪কে ’৭১-এর মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাইছে। জামায়াত চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগের হয়ে ’৭১কে আবার আমাদের হাত থেকে নিয়ে যাওয়ার। মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাইয়ের প্রেক্ষাপটটা আসলে একই। জনগণের চাওয়াটাও একই। পার্থক্য শুধু এটুকুই যে আমরা বর্তমান নতুন প্রজন্ম ’৭১কে পাই নাই।’

আসন্ন জাতীয় সংসদকেন্দ্রিক নির্বাচনি প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতির আগে দেখতে হবে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কেমন? বর্তমান নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রশ্নবিদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম, কথাবার্তা এবং যে পলিসি পুরোটাই অসংস্কারকৃত। এ অবৈধ, অসংস্কারকৃত নির্বাচন কমিশন ফ্যাসিজমকে পুনরুজ্জীবিত করবে। এ নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই একটা ফেয়ার ইলেকশন দিতে পারবে না। এটার কোনো নিদর্শন এ কমিশনের নাই। শুধু শাপলা প্রতীক দিয়েই এর উদাহরণ দেওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর নির্বাচন কমিশনের কয়জন আমলাকে পরিবর্তন করা হয়েছে? কে কে নিয়োগ পেয়েছেন? তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কী? তারা কার দ্বারা সুপারিশপ্রাপ্ত এবং এখন যারা কাজ করছেন তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম কী? এসব প্রশ্নের সুষ্ঠু উত্তর খুঁজতে হবে। আমরা দেখেছি এখন পর্যন্ত ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারের নাম মুছে ফেলা হয় নাই। এটা নিয়ে তাদের কোনো উদ্যোগও নাই। একটা অপর্যাপ্ত এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভলি দুর্বল প্রশাসন দিয়ে এ ইসি চালানো হচ্ছে। দলীয়ভাবে আমার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আগে আমাকে জানতে হবে, রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কী? তিনটি অবৈধ ইলেকশনের পরে একটি ইলেকশন হতে যাচ্ছে সেটা নিয়ে রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কী? আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী পরে দেব।’