ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি

ফ্যাসিবাদের স্থায়ী প্রতিরোধে কোন সিন্ডিকেটেট ঐক্য নয়

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের মাধ্যমে দীর্ঘ ষোলো বছর পর এদেশের সাধারণ জনগণ দানবীয় একটি জবর দখলকারী সরকারের চরম দুর্বিষহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে। নতুনভাবে স্বাধীনতাকে অনুভব করেছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্রজনতার এই গণঅভ্যুত্থান জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির সুনিপুণ ঐক্যের কারণেই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবত একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট ঐক্য ঐক্য বলে রিউমার সৃষ্টি করছে। তারা মূলত সিন্ডিকেটেট ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। যা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের যাবতীয় অর্জন নস্যাৎ করে দিতে পারে। সুতরাং পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদকে স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করতে হলে আমরা মনে করি জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প হতে পারে না।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হক আজ রবিবার (১৩ অক্টোবর) ২০২৪ দুপুরে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী কমিটির সভায় এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি কথিত সিন্ডিকেটেট ঐক্যের দাবি পতিত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মুফতি মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী কমিটির এসময় আরো বক্তব্য দেন সহসভাপতি মাওলানা কবির আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা যোবায়ের আহমদ নেজামী, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আল আমিন, কবি মাহফুজুল হক সুমন, সহকারী মহাসচিব মুফতি আলা উদ্দিন ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজের সভাপতি হাফেজ জাবের হোসেন প্রমুখ। ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন সিলেট থেকে মাওলানা নওফেল আহমদ, ময়মনসিংহ থেকে মুফতি ওবায়দুল্লাহ মাহমুদী ও নড়াইল থেকে মাওলানা মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়া বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী কমিটির আজকের সভা থেকে রাষ্ট্রের সব সকল জায়গা থেকে ফ্যাসিবাদের সহযোগী ও দোসরদের অপসারণের দাবি করা হয়। ৭ ই জানুয়ারির ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ও ব্যাক্তিদের নিষিদ্ধ করণ এবং ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে শাস্তির দাবি করা হয়। এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্মমন্ত্রীর বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদেরকে আইনের আওতায় এনে জুলাই গণ হত্যার সহযোগী হিসেবে কঠোর শাস্তি দাবি করা হয়। রাজনৈতিক সংলাপ ও রাষ্ট্র সংস্কারে কোন অরাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের পরামর্শ গ্রহণ করার আহ্বানও এসময় জানানো হয়।

সভায় বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির লক্ষ-উদ্দেশ্য, রাজনৈতিক চিন্তা -চেতনা ও কর্মপদ্ধতির প্রতি আস্থা রেখে পার্টিতে যোগদান করেন বর্ষিয়ান ইসলামী চিন্তাবিদ হাকিম মাওলানা মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুফতি হেলাল উদ্দিন হাবিবী এবং বিশিষ্ট ইসলামী ব্যাক্তিত্ব মাওলানা ওমর ফারুক চৌধুরী।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি

ফ্যাসিবাদের স্থায়ী প্রতিরোধে কোন সিন্ডিকেটেট ঐক্য নয়

আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের মাধ্যমে দীর্ঘ ষোলো বছর পর এদেশের সাধারণ জনগণ দানবীয় একটি জবর দখলকারী সরকারের চরম দুর্বিষহ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে। নতুনভাবে স্বাধীনতাকে অনুভব করেছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্রজনতার এই গণঅভ্যুত্থান জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির সুনিপুণ ঐক্যের কারণেই সম্ভব হয়েছে। কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবত একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট ঐক্য ঐক্য বলে রিউমার সৃষ্টি করছে। তারা মূলত সিন্ডিকেটেট ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। যা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের যাবতীয় অর্জন নস্যাৎ করে দিতে পারে। সুতরাং পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদকে স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ করতে হলে আমরা মনে করি জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প হতে পারে না।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা একে এম আশরাফুল হক আজ রবিবার (১৩ অক্টোবর) ২০২৪ দুপুরে রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী কমিটির সভায় এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি কথিত সিন্ডিকেটেট ঐক্যের দাবি পতিত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মুফতি মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মাওলানা মুমিনুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী কমিটির এসময় আরো বক্তব্য দেন সহসভাপতি মাওলানা কবির আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা যোবায়ের আহমদ নেজামী, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আল আমিন, কবি মাহফুজুল হক সুমন, সহকারী মহাসচিব মুফতি আলা উদ্দিন ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজের সভাপতি হাফেজ জাবের হোসেন প্রমুখ। ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন সিলেট থেকে মাওলানা নওফেল আহমদ, ময়মনসিংহ থেকে মুফতি ওবায়দুল্লাহ মাহমুদী ও নড়াইল থেকে মাওলানা মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

এছাড়া বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী কমিটির আজকের সভা থেকে রাষ্ট্রের সব সকল জায়গা থেকে ফ্যাসিবাদের সহযোগী ও দোসরদের অপসারণের দাবি করা হয়। ৭ ই জানুয়ারির ডামি নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ও ব্যাক্তিদের নিষিদ্ধ করণ এবং ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে শাস্তির দাবি করা হয়। এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনের সময় ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ধর্মমন্ত্রীর বাসায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদেরকে আইনের আওতায় এনে জুলাই গণ হত্যার সহযোগী হিসেবে কঠোর শাস্তি দাবি করা হয়। রাজনৈতিক সংলাপ ও রাষ্ট্র সংস্কারে কোন অরাজনৈতিক সংগঠন নয়; বরং বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের পরামর্শ গ্রহণ করার আহ্বানও এসময় জানানো হয়।

সভায় বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির লক্ষ-উদ্দেশ্য, রাজনৈতিক চিন্তা -চেতনা ও কর্মপদ্ধতির প্রতি আস্থা রেখে পার্টিতে যোগদান করেন বর্ষিয়ান ইসলামী চিন্তাবিদ হাকিম মাওলানা মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুফতি হেলাল উদ্দিন হাবিবী এবং বিশিষ্ট ইসলামী ব্যাক্তিত্ব মাওলানা ওমর ফারুক চৌধুরী।