ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত: চিফ প্রসিকিউটর

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

জুলাই অভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতা হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর এক ব্রিফিংয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি হত্যার জন্য একবার মৃত্যুদণ্ড হলে শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে এটি সম্ভব নয়। কিন্তু শেখ হাসিনাকে অন্তত একবার মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া হলে অবিচার হবে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি, বোম্বিং করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিল। এই বিষয়গুলো যুক্তিতর্কে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময় ভারতে পালিয়ে গিয়েও শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরা হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তিই হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সব অপরাধীদের প্রাণভোমরা এবং সব অপরাধের নিউক্লিয়াস ছিল শেখ হাসিনা। এই মামলার দ্বিতীয় আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে প্রসিকিউশন। তবে মামলার তৃতীয় আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে অপরাধের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করায় আইজিপি চৌধুরী মামুনের ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।

এর আগে যুক্তিতর্কে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ সাজা চায় প্রসিকিউশন। পাশাপাশি আসামিদের সম্পদ বিক্রি করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার আবেদনও করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আগামী সোমবার (২০ অক্টোবর) আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী যুক্তি খণ্ডন করবে। এরপর যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে পুনরায় যুক্তি খণ্ডন করবে প্রসিকিউশন। তারপর মামলাটি রায়ের দিকে যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই অভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতা হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর এক ব্রিফিংয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘একটি হত্যার জন্য একবার মৃত্যুদণ্ড হলে শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে এটি সম্ভব নয়। কিন্তু শেখ হাসিনাকে অন্তত একবার মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া হলে অবিচার হবে।’

তাজুল ইসলাম বলেন, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি, বোম্বিং করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিল। এই বিষয়গুলো যুক্তিতর্কে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময় ভারতে পালিয়ে গিয়েও শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরা হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তিই হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, সব অপরাধীদের প্রাণভোমরা এবং সব অপরাধের নিউক্লিয়াস ছিল শেখ হাসিনা। এই মামলার দ্বিতীয় আসামি আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে প্রসিকিউশন। তবে মামলার তৃতীয় আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে অপরাধের তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সাহায্য করায় আইজিপি চৌধুরী মামুনের ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।

এর আগে যুক্তিতর্কে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ সাজা চায় প্রসিকিউশন। পাশাপাশি আসামিদের সম্পদ বিক্রি করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার আবেদনও করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আগামী সোমবার (২০ অক্টোবর) আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী যুক্তি খণ্ডন করবে। এরপর যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে পুনরায় যুক্তি খণ্ডন করবে প্রসিকিউশন। তারপর মামলাটি রায়ের দিকে যাবে।