ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড না দিলে অন্যায় করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

জুলাই অভ্যুত্থান দমনের চেষ্টায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড না দিলে তা জাতির সঙ্গে অন্যায় হবে বলে মন্তব্য করেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ মন্তব্য করেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, “মানবতাবিরোধী অপরাধে যারা সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন, পরিকল্পনা ও নির্দেশ দিয়েছেন— তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ছাড়া ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা ছিলেন সেই সময়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ড না দিলে অন্যায় হবে।”

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান ঠেকানোর নামে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাজারো নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে। এসব হত্যাকাণ্ড ছিল পরিকল্পিত ও সংগঠিত। “শেখ হাসিনা নিজেই এই হত্যাযজ্ঞের অনুমোদন দিয়েছিলেন,” দাবি করেন প্রধান কৌঁসুলি তাজুল ইসলাম।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই অভ্যুত্থান দমন কালে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ১,৪০০ জন নিহত এবং আরও হাজারো মানুষ গুম হন। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়।

বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলাটির বিচার চলছে। আদালতের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলার পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সময় চান। ট্রাইব্যুনাল আগামী সোমবার থেকে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছে। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলও সম্প্রতি ফেসবুকে লিখেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই শেখ হাসিনার বিচার শেষ হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড না দিলে অন্যায় করা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৫:১৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই অভ্যুত্থান দমনের চেষ্টায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড না দিলে তা জাতির সঙ্গে অন্যায় হবে বলে মন্তব্য করেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ মন্তব্য করেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, “মানবতাবিরোধী অপরাধে যারা সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন, পরিকল্পনা ও নির্দেশ দিয়েছেন— তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি ছাড়া ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা ছিলেন সেই সময়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক। তাই তাকে মৃত্যুদণ্ড না দিলে অন্যায় হবে।”

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান ঠেকানোর নামে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাজারো নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে। এসব হত্যাকাণ্ড ছিল পরিকল্পিত ও সংগঠিত। “শেখ হাসিনা নিজেই এই হত্যাযজ্ঞের অনুমোদন দিয়েছিলেন,” দাবি করেন প্রধান কৌঁসুলি তাজুল ইসলাম।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই অভ্যুত্থান দমন কালে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ১,৪০০ জন নিহত এবং আরও হাজারো মানুষ গুম হন। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন করা হয়।

বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলাটির বিচার চলছে। আদালতের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলার পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য সময় চান। ট্রাইব্যুনাল আগামী সোমবার থেকে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার সম্পন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছে। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলও সম্প্রতি ফেসবুকে লিখেছেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই শেখ হাসিনার বিচার শেষ হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”