ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

কাঁদলেন অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি, কাঁদলেন অন্যরাও

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি  ।

কাঁদলেন শিক্ষক নেতা এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা শেষে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় উপস্থিত অন্যরাও আবেগে ভেঙে পড়েন।

বক্তব্যকালে শিক্ষক নেতা আজীজি বলেন, রাষ্ট্র যেহেতু ৬ লাখ মানুষের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করে দিতে পারছে না; তাই আমাদের উচিত- রিকশা-সিএনজি চালিয়ে জীবনযাপন করা। এভাবেই আমরা আমাদের সন্তানদের লালন-পালন করব। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে আমরা কৃষি কাজ করব।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি খুবই যৌক্তিক। আমাদের ২০% বাড়ি ভাড়া দেওয়া হোক। কিন্তু সেটা তারা দিতে পারবেন না। তারা আলোচনার নামে আই-ওয়াশ করেছেন। আমরা শিক্ষা উপদেষ্টাকে বাবা সম্বোধন করেছি, তাকে অনুরোধ করেছি- আমাদের বিষয়টা দেখতে। কিন্তু অপরগতা প্রকাশ করেছেন।

আন্দোলন কীভাবে চলছে জানিয়ে জনপ্রিয় এই শিক্ষক নেতা বলেন, আমাদের শিক্ষকরা নিজের টাকা খরচ করে ঢাকায় এসেছে। নিজেদের টাকায় রুটি-কলা খেয়ে থাকছে। শুধু কয়েকটি ব্যানার ও মাইকের জন্য টাকা লাগছে, যা আমরা পুরোটা নিজেদের টাকায় কিনেছি। এখানে এক টাকা চাঁদা বা হাতিয়ে নেওয়ার মত কোনো বিষয়  নেই।

‘আলোচনায় কী হয়েছে’ জানিয়ে অধ্যক্ষ আজীজি বলেন, আমরা আমাদের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করতে বলেছি। কিন্তু উনি (উপদেষ্টা) তার বক্তব্যে অনড়। তিনি বলেছেন- এর বাইরে তিনি কিছু করতে পারবেন না। আমরা বলেছি, এখন অন্তত ১০% বাড়ি ভাড়া দেবেন, পররবর্তী বাজেটে আরও ১০%সহ মোট ২০ শতাংশ করে দেবেন এবং পুরো বিষয়টা স্পষ্টভাবে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু তারা এটাতে রাজি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বাজেটের আগে কয়েক দফায় আমরা চিঠি দিয়েছি, যেন আমাদের শিক্ষকদের বিষয়গুলো দেখা হয়। যে আবেদনে বাড়ি ভাড়া, টিফিন ভাতা, উৎসব ভাতাগুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাঁদলেন অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি, কাঁদলেন অন্যরাও

আপডেট সময় : ০৩:৪১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি  ।

কাঁদলেন শিক্ষক নেতা এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা শেষে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় উপস্থিত অন্যরাও আবেগে ভেঙে পড়েন।

বক্তব্যকালে শিক্ষক নেতা আজীজি বলেন, রাষ্ট্র যেহেতু ৬ লাখ মানুষের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করে দিতে পারছে না; তাই আমাদের উচিত- রিকশা-সিএনজি চালিয়ে জীবনযাপন করা। এভাবেই আমরা আমাদের সন্তানদের লালন-পালন করব। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনে আমরা কৃষি কাজ করব।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি খুবই যৌক্তিক। আমাদের ২০% বাড়ি ভাড়া দেওয়া হোক। কিন্তু সেটা তারা দিতে পারবেন না। তারা আলোচনার নামে আই-ওয়াশ করেছেন। আমরা শিক্ষা উপদেষ্টাকে বাবা সম্বোধন করেছি, তাকে অনুরোধ করেছি- আমাদের বিষয়টা দেখতে। কিন্তু অপরগতা প্রকাশ করেছেন।

আন্দোলন কীভাবে চলছে জানিয়ে জনপ্রিয় এই শিক্ষক নেতা বলেন, আমাদের শিক্ষকরা নিজের টাকা খরচ করে ঢাকায় এসেছে। নিজেদের টাকায় রুটি-কলা খেয়ে থাকছে। শুধু কয়েকটি ব্যানার ও মাইকের জন্য টাকা লাগছে, যা আমরা পুরোটা নিজেদের টাকায় কিনেছি। এখানে এক টাকা চাঁদা বা হাতিয়ে নেওয়ার মত কোনো বিষয়  নেই।

‘আলোচনায় কী হয়েছে’ জানিয়ে অধ্যক্ষ আজীজি বলেন, আমরা আমাদের ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করতে বলেছি। কিন্তু উনি (উপদেষ্টা) তার বক্তব্যে অনড়। তিনি বলেছেন- এর বাইরে তিনি কিছু করতে পারবেন না। আমরা বলেছি, এখন অন্তত ১০% বাড়ি ভাড়া দেবেন, পররবর্তী বাজেটে আরও ১০%সহ মোট ২০ শতাংশ করে দেবেন এবং পুরো বিষয়টা স্পষ্টভাবে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু তারা এটাতে রাজি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বাজেটের আগে কয়েক দফায় আমরা চিঠি দিয়েছি, যেন আমাদের শিক্ষকদের বিষয়গুলো দেখা হয়। যে আবেদনে বাড়ি ভাড়া, টিফিন ভাতা, উৎসব ভাতাগুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি।