ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

দুঃসাহসী সেই চিকিৎসকের ভাগ্যে কী ঘটেছে?

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দি হুসাম আবু সাফিয়া। তিনি সেই চিকিৎসক যিনি ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও নিজে হেঁটে শত্রু ট্যাংকের কাছে গিয়েছিলেন। ওই দিন গাজার হাসপাতাল থেকে নিরীহ রোগীদের অন্যত্র সরাতে জীবন বাজি রাখেন হুসাম।

প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ইসরায়েলি কারাগারে আটক আছেন তিনি। যুদ্ধবিরতির পর বহু নিরীহ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলেও ডাক্তার হুসাম আবু সাফিয়াকে মুক্তি দেয়নি দখলদার বাহিনী। তার ভাগ্যে কী ঘটবে বা বর্তমানে তিনি কেমন আছেন তাও অজানা। এমন অনিশ্চয়তায় তাকে দেওয়ার আন্তর্জাতিক দাবি ক্রমশ বাড়ছে।

আলজাজিরার বুধবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবু সাফিয়া একজন শিশু বিশেষজ্ঞ। ১৯৭৩ সালের ২১ নভেম্বর উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮ সালে তার পরিবার আশকেলন জেলার হামামা ফিলিস্তিনি শহর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়।

তিনি জাবালিয়া, বেইত লাহিয়া এবং বেইত হানুনের আশপাশের জেলাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাদের ৮৫ দিনের অবরোধের মধ্য দিয়েও উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতাল পরিচালনা করেন। অবরোধের সময় ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের খাদ্য ও পানির সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে শত শত বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে।

একই অভিযানের সময় হাসপাতালের গেটে ড্রোন হামলায় আবু সাফিয়ার ছেলে ইব্রাহিমকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর যখন সেনারা হাসপাতালে অভিযান চালায় তখন ছবি-ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাফিয়া তার সাদা ডাক্তারের কোট পরে ভবন থেকে বেরিয়ে এসে রোগীদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েলি সাঁজোয়া যানের দিকে যাচ্ছেন।

তিনি বিনীতভাবে ইসরায়েলি সেনাদের বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দখলদারদের মন গলেনি। হাসপাতালে হামলা করা হয়। বহু নিরীহ মানুষের মৃত্যু ঘটে। আবু সাফিয়া এবং রোগী-কর্মীসহ আরও কয়েক ডজনকে আটক করা হয়। সোমবার হামাস কর্তৃক আটক ২০ জিম্মির বিনিময়ে মুক্তি পাওয়া শত শত ফিলিস্তিনি বন্দি ও বন্দিদের মধ্যে তিনি ছিলেন না। এতে তার ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুঃসাহসী সেই চিকিৎসকের ভাগ্যে কী ঘটেছে?

আপডেট সময় : ০৭:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দি হুসাম আবু সাফিয়া। তিনি সেই চিকিৎসক যিনি ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও নিজে হেঁটে শত্রু ট্যাংকের কাছে গিয়েছিলেন। ওই দিন গাজার হাসপাতাল থেকে নিরীহ রোগীদের অন্যত্র সরাতে জীবন বাজি রাখেন হুসাম।

প্রায় ১০ মাস ধরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই ইসরায়েলি কারাগারে আটক আছেন তিনি। যুদ্ধবিরতির পর বহু নিরীহ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলেও ডাক্তার হুসাম আবু সাফিয়াকে মুক্তি দেয়নি দখলদার বাহিনী। তার ভাগ্যে কী ঘটবে বা বর্তমানে তিনি কেমন আছেন তাও অজানা। এমন অনিশ্চয়তায় তাকে দেওয়ার আন্তর্জাতিক দাবি ক্রমশ বাড়ছে।

আলজাজিরার বুধবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, আবু সাফিয়া একজন শিশু বিশেষজ্ঞ। ১৯৭৩ সালের ২১ নভেম্বর উত্তর গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৪৮ সালে তার পরিবার আশকেলন জেলার হামামা ফিলিস্তিনি শহর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়।

তিনি জাবালিয়া, বেইত লাহিয়া এবং বেইত হানুনের আশপাশের জেলাগুলোতে ইসরায়েলি সেনাদের ৮৫ দিনের অবরোধের মধ্য দিয়েও উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতাল পরিচালনা করেন। অবরোধের সময় ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের খাদ্য ও পানির সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে শত শত বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে।

একই অভিযানের সময় হাসপাতালের গেটে ড্রোন হামলায় আবু সাফিয়ার ছেলে ইব্রাহিমকে হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী।

ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর যখন সেনারা হাসপাতালে অভিযান চালায় তখন ছবি-ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাফিয়া তার সাদা ডাক্তারের কোট পরে ভবন থেকে বেরিয়ে এসে রোগীদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে ইসরায়েলি সাঁজোয়া যানের দিকে যাচ্ছেন।

তিনি বিনীতভাবে ইসরায়েলি সেনাদের বুঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দখলদারদের মন গলেনি। হাসপাতালে হামলা করা হয়। বহু নিরীহ মানুষের মৃত্যু ঘটে। আবু সাফিয়া এবং রোগী-কর্মীসহ আরও কয়েক ডজনকে আটক করা হয়। সোমবার হামাস কর্তৃক আটক ২০ জিম্মির বিনিময়ে মুক্তি পাওয়া শত শত ফিলিস্তিনি বন্দি ও বন্দিদের মধ্যে তিনি ছিলেন না। এতে তার ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে।