ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

জামিনে মুক্ত সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ছাড়লেন হাসপাতাল

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪
  • ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

জামিন পাওয়ায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এমএ মান্নান সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তির সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ (ছাড়পত্র) দিয়েছে চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, সাবেক মন্ত্রী এমএ মান্নানের জামিন হওয়ায় তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।

এর আগে তার চিকিৎসার জন্য ৬ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তীকে প্রধান করে এই বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গত ৪ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের একদফা দাবিতে সুনামগঞ্জে  আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর হামলা, গুলি, টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এতে শতাধিক ছাত্র-জনতা আহত হন। ওই ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে এমএ মান্নানসহ ৯৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গুলিবিদ্ধ জহুর আহমদের ছোটভাই হাফিজুর রহমান। দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার করা হয় এমএ মান্নানকে।পরদিন আদালতে পাঠানো হয়। এরপর থেকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে ছিলেন তিনি। ২৩ সেপ্টেম্বর আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু জামিন মঞ্জুর করা হয়নি।

সুনামগঞ্জ জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় ৫ অক্টোবর সকালে এমএ মান্নান অসুস্থতাবোধ করেন। পরে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর ৮ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে তাকে চিকিৎসকরা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করেন। হাসপাতালের তৃতীয় তলার ১৩ নম্বর কেবিনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সাখাওয়াত হোসেন রুবেল জানান, জামিনের কাগজপত্র পর্যালোচনা করার পর সাবেক মন্ত্রী মান্নানকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামিনে মুক্ত সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ছাড়লেন হাসপাতাল

আপডেট সময় : ১১:১৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

জামিন পাওয়ায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এমএ মান্নান সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে কারাগার থেকে মুক্তির সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ (ছাড়পত্র) দিয়েছে চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, সাবেক মন্ত্রী এমএ মান্নানের জামিন হওয়ায় তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিয়েছে মেডিকেল বোর্ড।

এর আগে তার চিকিৎসার জন্য ৬ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তীকে প্রধান করে এই বোর্ড গঠন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গত ৪ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের একদফা দাবিতে সুনামগঞ্জে  আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার উপর হামলা, গুলি, টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এতে শতাধিক ছাত্র-জনতা আহত হন। ওই ঘটনায় নির্দেশদাতা হিসেবে এমএ মান্নানসহ ৯৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন গুলিবিদ্ধ জহুর আহমদের ছোটভাই হাফিজুর রহমান। দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার করা হয় এমএ মান্নানকে।পরদিন আদালতে পাঠানো হয়। এরপর থেকে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে ছিলেন তিনি। ২৩ সেপ্টেম্বর আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু জামিন মঞ্জুর করা হয়নি।

সুনামগঞ্জ জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় ৫ অক্টোবর সকালে এমএ মান্নান অসুস্থতাবোধ করেন। পরে তাকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর ৮ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে তাকে চিকিৎসকরা হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করেন। হাসপাতালের তৃতীয় তলার ১৩ নম্বর কেবিনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সাখাওয়াত হোসেন রুবেল জানান, জামিনের কাগজপত্র পর্যালোচনা করার পর সাবেক মন্ত্রী মান্নানকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়।