ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

গাজা যুদ্ধের কারণে দাম্পত্য জীবনে অসুখী ইসরাইলি সেনারা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

ইসরাইলি সেনাদের দীর্ঘমেয়াদি রিজার্ভ ডিউটির কারণে দেশটিতে ব্যাপক দাম্পত্য কলহ বা পারিবারিক সংকট তৈরি হয়েছে। ইসরাইলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (সিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ এক জরিপে উঠে এসেছে— প্রায় অর্ধেক দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে এবং অর্ধেকেরও বেশি শিশু মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতিতে ভুগছে।

২০২৫ সালের এপ্রিল-মে মাসে পরিচালিত এই জরিপে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিজার্ভ ডিউটিতে থাকা সেনা সদস্যদের পরিবারের ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, রিজার্ভ সদস্যদের স্ত্রীর প্রায় ৫০ শতাংশ বলেছেন, স্বামীর দীর্ঘ দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বৈবাহিক জীবনে সংকট তৈরি হয়েছে। এক-তৃতীয়াংশ নারী জানিয়েছেন, এ পরিস্থিতিতে তারা আলাদা হয়ে যাওয়া বা তালাকের কথা ভেবেছেন।

সর্বোচ্চ ৫০ দিন দায়িত্ব পালনকারীদের স্ত্রীদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ সম্পর্ক ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন। তবে ২০০-৩৫০ দিন দায়িত্বে থাকা সেনাদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ শতাংশে।

শুধু দাম্পত্য নয়, শিশুদের ওপরও পড়েছে বড় ধরনের প্রভাব। ৫২ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, শিশুদের মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। ২০০-২৫০ দিন দায়িত্ব পালনকারীদের শিশুদের ক্ষেত্রে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ শতাংশে।

দীর্ঘ রিজার্ভ ডিউটির ফলে স্ত্রীদের ৬১ শতাংশ কোনো না কোনো সহায়তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন। ৫৫ শতাংশ মানসিক বা আবেগীয় সহায়তা, ৩৮ শতাংশ আর্থিক সহায়তা এবং ৩৫ শতাংশ সরাসরি পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার শরণাপন্ন হয়েছেন।

প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পরিবার আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের সহায়তার ওপর নির্ভর করেছে। ধর্মীয় পরিবারে এ হার ছিল ৮৩ শতাংশ, ধর্মনিরপেক্ষ পরিবারে ৭৪ শতাংশ এবং অর্থডক্স ইহুদি পরিবারে ৬৪ শতাংশ।

সরকারি সহায়তায় বৈষম্য লক্ষ্য করা গেছে। আইডিএফ থেকে ৩০ শতাংশ পরিবার এবং স্থানীয় প্রশাসন থেকে ২৩ শতাংশ পরিবার সহায়তা পেয়েছে। যারা ২৫০ দিনের বেশি দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা তুলনামূলক বেশি সহায়তা পেয়েছেন।

জাতীয় বীমা ইনস্টিটিউট থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে ৮৭ শতাংশ পরিবার। তবে একক মা বা তালাকপ্রাপ্ত মায়েরা এ সহায়তায় তুলনামূলকভাবে বঞ্চিত হয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজা যুদ্ধের কারণে দাম্পত্য জীবনে অসুখী ইসরাইলি সেনারা

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসরাইলি সেনাদের দীর্ঘমেয়াদি রিজার্ভ ডিউটির কারণে দেশটিতে ব্যাপক দাম্পত্য কলহ বা পারিবারিক সংকট তৈরি হয়েছে। ইসরাইলের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (সিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ এক জরিপে উঠে এসেছে— প্রায় অর্ধেক দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে এবং অর্ধেকেরও বেশি শিশু মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতিতে ভুগছে।

২০২৫ সালের এপ্রিল-মে মাসে পরিচালিত এই জরিপে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রিজার্ভ ডিউটিতে থাকা সেনা সদস্যদের পরিবারের ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

জরিপে দেখা গেছে, রিজার্ভ সদস্যদের স্ত্রীর প্রায় ৫০ শতাংশ বলেছেন, স্বামীর দীর্ঘ দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বৈবাহিক জীবনে সংকট তৈরি হয়েছে। এক-তৃতীয়াংশ নারী জানিয়েছেন, এ পরিস্থিতিতে তারা আলাদা হয়ে যাওয়া বা তালাকের কথা ভেবেছেন।

সর্বোচ্চ ৫০ দিন দায়িত্ব পালনকারীদের স্ত্রীদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ সম্পর্ক ক্ষতির কথা উল্লেখ করেছেন। তবে ২০০-৩৫০ দিন দায়িত্বে থাকা সেনাদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭ শতাংশে।

শুধু দাম্পত্য নয়, শিশুদের ওপরও পড়েছে বড় ধরনের প্রভাব। ৫২ শতাংশ পরিবার জানিয়েছে, শিশুদের মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। ২০০-২৫০ দিন দায়িত্ব পালনকারীদের শিশুদের ক্ষেত্রে এ হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ শতাংশে।

দীর্ঘ রিজার্ভ ডিউটির ফলে স্ত্রীদের ৬১ শতাংশ কোনো না কোনো সহায়তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন। ৫৫ শতাংশ মানসিক বা আবেগীয় সহায়তা, ৩৮ শতাংশ আর্থিক সহায়তা এবং ৩৫ শতাংশ সরাসরি পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবার শরণাপন্ন হয়েছেন।

প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পরিবার আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের সহায়তার ওপর নির্ভর করেছে। ধর্মীয় পরিবারে এ হার ছিল ৮৩ শতাংশ, ধর্মনিরপেক্ষ পরিবারে ৭৪ শতাংশ এবং অর্থডক্স ইহুদি পরিবারে ৬৪ শতাংশ।

সরকারি সহায়তায় বৈষম্য লক্ষ্য করা গেছে। আইডিএফ থেকে ৩০ শতাংশ পরিবার এবং স্থানীয় প্রশাসন থেকে ২৩ শতাংশ পরিবার সহায়তা পেয়েছে। যারা ২৫০ দিনের বেশি দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা তুলনামূলক বেশি সহায়তা পেয়েছেন।

জাতীয় বীমা ইনস্টিটিউট থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে ৮৭ শতাংশ পরিবার। তবে একক মা বা তালাকপ্রাপ্ত মায়েরা এ সহায়তায় তুলনামূলকভাবে বঞ্চিত হয়েছেন।