ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ট্রাম্প যদি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার চান তাহলে গাজার যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: ম্যাকরন

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতে চান, তাহলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এমন মন্তব্য করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। খবর রয়টার্সের।

নিউইয়র্ক থেকে ফ্রান্সের বিএফএম টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাকরন বলেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে একমাত্র চাপ দিতে পারেন মাকির্ন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

তিনি আরও বলেন, আমরা যেটা করতে পারি না, সেটা ট্রাম্প করতে পারেন, কারণ আমরা যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করি না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সেটা করে।

এদিন ট্রাম্প জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় কড়া ভাষায় বক্তৃতা দেন। তিনি পশ্চিমা মিত্রদের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, এটি হামাসের জন্য পুরস্কার হবে।

তিনি আরও বলেন, অবিলম্বে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। আমাদের অবিলম্বে শান্তি আলোচনার শুরু করতে হবে।

তবে ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ম্যাকরন বলেন, আমি দেখছি একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি নিজেকে যুক্ত করেছেন এবং পডিয়াম থেকে বলছেন, ‘আমি শান্তি চাই, সাতটি সংঘাত সমাধান করেছি’। কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার কেবল তখনই সম্ভব যদি এই সংঘাত বন্ধ করেন।

অন্যদিকে, কাম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ ট্রাম্পকে এ বছর নোবেল পুরস্কার দেয়ার জন্য মনোনয়ন দিয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এ পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য, যা তার চারজন পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট পেয়েছিলেন।

এদিকে, ট্রাম্পের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তির জন্য এত করেছেন, যা জাতিসংঘে উপস্থিত সবার মিলিত প্রচেষ্টার চেয়ে অনেক বেশি।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের স্থিতিশীলতার জন্য এত কিছু করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রকে আবার শক্তিশালী করার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ট্রাম্প যদি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার চান তাহলে গাজার যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে: ম্যাকরন

আপডেট সময় : ০৬:৫৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতে চান, তাহলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এমন মন্তব্য করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। খবর রয়টার্সের।

নিউইয়র্ক থেকে ফ্রান্সের বিএফএম টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাকরন বলেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে একমাত্র চাপ দিতে পারেন মাকির্ন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

তিনি আরও বলেন, আমরা যেটা করতে পারি না, সেটা ট্রাম্প করতে পারেন, কারণ আমরা যুদ্ধে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করি না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সেটা করে।

এদিন ট্রাম্প জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় কড়া ভাষায় বক্তৃতা দেন। তিনি পশ্চিমা মিত্রদের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, এটি হামাসের জন্য পুরস্কার হবে।

তিনি আরও বলেন, অবিলম্বে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। আমাদের অবিলম্বে শান্তি আলোচনার শুরু করতে হবে।

তবে ট্রাম্পের বক্তব্য নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ম্যাকরন বলেন, আমি দেখছি একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি নিজেকে যুক্ত করেছেন এবং পডিয়াম থেকে বলছেন, ‘আমি শান্তি চাই, সাতটি সংঘাত সমাধান করেছি’। কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার কেবল তখনই সম্ভব যদি এই সংঘাত বন্ধ করেন।

অন্যদিকে, কাম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ ট্রাম্পকে এ বছর নোবেল পুরস্কার দেয়ার জন্য মনোনয়ন দিয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এ পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য, যা তার চারজন পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট পেয়েছিলেন।

এদিকে, ট্রাম্পের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তির জন্য এত করেছেন, যা জাতিসংঘে উপস্থিত সবার মিলিত প্রচেষ্টার চেয়ে অনেক বেশি।

তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের স্থিতিশীলতার জন্য এত কিছু করেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রকে আবার শক্তিশালী করার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।