ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সকাল থেকে রাজধানীতে বৃষ্টি, ভোগান্তিতে অফিসযাত্রী ও শিক্ষার্থীরা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী ঢাকায় রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দিনের শুরুতে বৃষ্টি হলেও দুপুর পর্যন্ত তা থামেনি। বরং কখনো হালকা, কখনো মাঝারি বৃষ্টিতে দিনে দিনে বাড়তে থাকে দুর্ভোগ। শহরের অনেক এলাকায় দেখা গেছে যানজট, আবার কোথাও দেখা দিয়েছে গণপরিবহন সংকট। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ঝিগাতলা, ট্যানারী মোড়, ধানমন্ডি, শাহবাগ, গাবতলী ও আজিমপুর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। বাস এবং রিকশার সংকট ছিল স্পষ্ট। অনেকেই ছাতা মাথায় দিয়ে কিংবা পলিথিনে নিজেকে মুড়ে হাঁটতে দেখা গেছে।

ঝিগাতলার নতুন রাস্তার বাসিন্দা রাকিব হোসেন বলেন, বর্ষার শেষ সময়, বৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ এমন বৃষ্টিতে বিপদে পড়তে হয়। আজ অফিসে দেরি হয়ে যাচ্ছে।

মোহাম্মদপুর থেকে আসা কলেজ শিক্ষার্থী মুত্তাকিম আল হাসান বলেন, সকাল ৯টার ক্লাস মিস করেছি। এখন যাচ্ছি দ্বিতীয় পিরিয়ড ধরতে। রিকশা ভাড়া দ্বিগুণ হয়েছে, তাও রিকশা পাচ্ছি না।

নওগাঁ থেকে বেড়াতে এসে রাজধানীতে আটকে পড়েন লাইলী আনজুমান। তিনি বলেন, তিন দিন থাকার পর আজ সকালে ফিরব ভেবেছিলাম। কিন্তু এক ঘণ্টা বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো রিকশা বা সিএনজি পাইনি।

সাধারণ নগরবাসীর অভিযোগ, বৃষ্টি শুরু হলেই রিকশা ও সিএনজি চালকদের আচরণ পাল্টে যায়। তারা যাত্রী তুলতে চায় না, আর পেলেই বাড়তি ভাড়া হাঁকে। অথচ কর্তৃপক্ষ চাইলে এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারত।

বৃষ্টি যেমন মানুষকে ঘরবন্দি করেছে, তেমনি অনেককে করেছে অস্থির। যানজটে আটকে থাকা মানুষজনের মধ্যে দেখা গেছে চরম ক্লান্তি ও বিরক্তি।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নগরজীবনে সাময়িক দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বৃষ্টি হলে নগরবাসী যে দুর্ভোগে পড়েন, তার বড় অংশের কারণ নগরের অপরিকল্পিত অবকাঠামো ও পরিবহন ব্যবস্থা। সময়মতো গণপরিবহন না পাওয়া, রিকশার সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ প্রতিবছরই ওঠে। তবে এই সমস্যা সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই বললেই চলে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সকাল থেকে রাজধানীতে বৃষ্টি, ভোগান্তিতে অফিসযাত্রী ও শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১১:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজধানী ঢাকায় রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। দিনের শুরুতে বৃষ্টি হলেও দুপুর পর্যন্ত তা থামেনি। বরং কখনো হালকা, কখনো মাঝারি বৃষ্টিতে দিনে দিনে বাড়তে থাকে দুর্ভোগ। শহরের অনেক এলাকায় দেখা গেছে যানজট, আবার কোথাও দেখা দিয়েছে গণপরিবহন সংকট। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ঝিগাতলা, ট্যানারী মোড়, ধানমন্ডি, শাহবাগ, গাবতলী ও আজিমপুর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির কারণে স্বাভাবিক যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। বাস এবং রিকশার সংকট ছিল স্পষ্ট। অনেকেই ছাতা মাথায় দিয়ে কিংবা পলিথিনে নিজেকে মুড়ে হাঁটতে দেখা গেছে।

ঝিগাতলার নতুন রাস্তার বাসিন্দা রাকিব হোসেন বলেন, বর্ষার শেষ সময়, বৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ এমন বৃষ্টিতে বিপদে পড়তে হয়। আজ অফিসে দেরি হয়ে যাচ্ছে।

মোহাম্মদপুর থেকে আসা কলেজ শিক্ষার্থী মুত্তাকিম আল হাসান বলেন, সকাল ৯টার ক্লাস মিস করেছি। এখন যাচ্ছি দ্বিতীয় পিরিয়ড ধরতে। রিকশা ভাড়া দ্বিগুণ হয়েছে, তাও রিকশা পাচ্ছি না।

নওগাঁ থেকে বেড়াতে এসে রাজধানীতে আটকে পড়েন লাইলী আনজুমান। তিনি বলেন, তিন দিন থাকার পর আজ সকালে ফিরব ভেবেছিলাম। কিন্তু এক ঘণ্টা বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো রিকশা বা সিএনজি পাইনি।

সাধারণ নগরবাসীর অভিযোগ, বৃষ্টি শুরু হলেই রিকশা ও সিএনজি চালকদের আচরণ পাল্টে যায়। তারা যাত্রী তুলতে চায় না, আর পেলেই বাড়তি ভাড়া হাঁকে। অথচ কর্তৃপক্ষ চাইলে এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারত।

বৃষ্টি যেমন মানুষকে ঘরবন্দি করেছে, তেমনি অনেককে করেছে অস্থির। যানজটে আটকে থাকা মানুষজনের মধ্যে দেখা গেছে চরম ক্লান্তি ও বিরক্তি।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নগরজীবনে সাময়িক দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

বৃষ্টি হলে নগরবাসী যে দুর্ভোগে পড়েন, তার বড় অংশের কারণ নগরের অপরিকল্পিত অবকাঠামো ও পরিবহন ব্যবস্থা। সময়মতো গণপরিবহন না পাওয়া, রিকশার সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ প্রতিবছরই ওঠে। তবে এই সমস্যা সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই বললেই চলে।