ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক আজ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে।

বিএনপির প্রেস উইং নিশ্চিত করেছে, সংলাপে দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদিকে আমন্ত্রণ পাওয়া কয়েকটি দল জানিয়েছে, এই বৈঠকে অংশ নিতে পারেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং কমিশনের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠক করে কমিশন। সে বৈঠকেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়, তবে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই বাস্তবায়নের বিষয়ে এগোতে চায় না কমিশন।

ড. আলী রীয়াজের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন এরই মধ্যে সনদ বাস্তবায়নের জন্য চারটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ, অধ্যাদেশ জারি বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করার সুপারিশ। তবে কোন পদ্ধতিটি গ্রহণযোগ্য এবং রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে, তা নিয়েই দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে কমিশন।

জুলাই সনদ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মৌলিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন পক্ষ দাবি করলেও, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে এখনও মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ আইনি পদ্ধতির প্রশ্নে সংবিধান সংশোধনের ওপর জোর দিচ্ছেন, আবার কেউ চাইছেন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন।

কমিশন বলছে, এই সনদ শুধু রাজনৈতিক সংস্কারের রূপরেখা নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ, যা দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভিত্তি মজবুত করবে। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ভর করবে রাজনৈতিক ঐক্যমতের ওপর।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়ে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক আজ

আপডেট সময় : ১০:৫২:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে।

বিএনপির প্রেস উইং নিশ্চিত করেছে, সংলাপে দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদিকে আমন্ত্রণ পাওয়া কয়েকটি দল জানিয়েছে, এই বৈঠকে অংশ নিতে পারেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ এবং কমিশনের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর আগে, ১১ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সর্বশেষ বৈঠক করে কমিশন। সে বৈঠকেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়, তবে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই বাস্তবায়নের বিষয়ে এগোতে চায় না কমিশন।

ড. আলী রীয়াজের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন এরই মধ্যে সনদ বাস্তবায়নের জন্য চারটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে গণভোট, বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ, অধ্যাদেশ জারি বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করার সুপারিশ। তবে কোন পদ্ধতিটি গ্রহণযোগ্য এবং রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পাবে, তা নিয়েই দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছে কমিশন।

জুলাই সনদ নিয়ে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মৌলিক ঐকমত্য তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন পক্ষ দাবি করলেও, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে এখনও মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ আইনি পদ্ধতির প্রশ্নে সংবিধান সংশোধনের ওপর জোর দিচ্ছেন, আবার কেউ চাইছেন নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়ন।

কমিশন বলছে, এই সনদ শুধু রাজনৈতিক সংস্কারের রূপরেখা নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ, যা দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভিত্তি মজবুত করবে। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ভর করবে রাজনৈতিক ঐক্যমতের ওপর।