ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

হাসিনার বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিচ্ছেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুন

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিচ্ছেন। তিনি এই মামলায় আসামি ছিলেন, পরে স্বপ্রণোদিত হয়ে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার কিছু সময় আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে তিনি জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনালে মামুন স্বীকার করেছেন, তিনি স্বেচ্ছায় রাজসাক্ষী হতে চান। একই সঙ্গে নিজের দায় স্বীকারও করেছেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই মামলায় মোট ৩৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের বীভৎস চিত্র ফুটে উঠেছে। তারা সরাসরি শেখ হাসিনা, কামালসহ জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন। শহীদ পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা এসব হত্যাকাণ্ডের দায় সংশ্লিষ্টদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর দশম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। ওইদিন ছয়জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শী। সাক্ষ্যগ্রহণের এই ধারাবাহিকতায় আজ মামুনের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে।

মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রে মোট আট হাজার সাতশো সাতচল্লিশ পৃষ্ঠার তথ্য আছে। এর মধ্যে দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠায় তথ্যসূত্র, চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠায় জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি এবং দুই হাজার সাতশো চব্বিশ পৃষ্ঠায় শহীদদের তালিকা সংযুক্ত রয়েছে। মামলায় সাক্ষী হিসেবে মোট ৮১ জন যুক্ত আছেন।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হাসিনার বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিচ্ছেন রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি মামুন

আপডেট সময় : ১২:২৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিচ্ছেন। তিনি এই মামলায় আসামি ছিলেন, পরে স্বপ্রণোদিত হয়ে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার কিছু সময় আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে তিনি জবানবন্দি দেওয়া শুরু করেন।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনালে মামুন স্বীকার করেছেন, তিনি স্বেচ্ছায় রাজসাক্ষী হতে চান। একই সঙ্গে নিজের দায় স্বীকারও করেছেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই মামলায় মোট ৩৫ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে গত বছরের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের বীভৎস চিত্র ফুটে উঠেছে। তারা সরাসরি শেখ হাসিনা, কামালসহ জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন। শহীদ পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা এসব হত্যাকাণ্ডের দায় সংশ্লিষ্টদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর দশম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। ওইদিন ছয়জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শী। সাক্ষ্যগ্রহণের এই ধারাবাহিকতায় আজ মামুনের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। প্রসিকিউশন মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে।

মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রে মোট আট হাজার সাতশো সাতচল্লিশ পৃষ্ঠার তথ্য আছে। এর মধ্যে দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠায় তথ্যসূত্র, চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠায় জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি এবং দুই হাজার সাতশো চব্বিশ পৃষ্ঠায় শহীদদের তালিকা সংযুক্ত রয়েছে। মামলায় সাক্ষী হিসেবে মোট ৮১ জন যুক্ত আছেন।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।