ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

বাসর রাতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, স্বামীসহ আটক ৭

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে
সংগৃহীত ছবি
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ১৮ বছর বয়সী এক নববধূকে বাসর রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আহত নববধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নববধূর স্বামী আসিফ মিয়াসহ ৭ জনকে আটক করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার রাতে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। শনিবার বিকেলে আটকদের সাঘাটা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফাহাদ আল আসাদ বলেন, শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ওই নারী হাসপাতালে আসেন। সঙ্গে আরও দুইজন নারী ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা নিতে আসা ওই নারীর শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলের সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ওই মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার (২৭ আগস্ট) ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয় তাদের। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম (৪৫) বলেন, বুধবার শেষরাতে বিয়ে বিদায় হয়। বৃহস্পতিবার রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই মেয়ে। শুক্রবার দুপুরে ওই মেয়ে অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সাঘাটা থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আসিফ মিয়াসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রকৃত ঘটনা কী তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে প্রকৃত অপরাধীদের পরিচয় জানানো হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাসর রাতে নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, স্বামীসহ আটক ৭

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
সংগৃহীত ছবি
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ১৮ বছর বয়সী এক নববধূকে বাসর রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আহত নববধূকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার (২৯ আগস্ট) নববধূর স্বামী আসিফ মিয়াসহ ৭ জনকে আটক করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার রাতে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। শনিবার বিকেলে আটকদের সাঘাটা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফাহাদ আল আসাদ বলেন, শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ওই নারী হাসপাতালে আসেন। সঙ্গে আরও দুইজন নারী ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে এখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা নিতে আসা ওই নারীর শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাঘাটা উপজেলার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলের সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ওই মেয়ের বিয়ে হয়। গত বুধবার (২৭ আগস্ট) ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয় তাদের। বিয়ের পর স্বামী আসিফ মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে যান। বৃহস্পতিবার রাতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম (৪৫) বলেন, বুধবার শেষরাতে বিয়ে বিদায় হয়। বৃহস্পতিবার রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই মেয়ে। শুক্রবার দুপুরে ওই মেয়ে অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সাঘাটা থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আসিফ মিয়াসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রকৃত ঘটনা কী তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে প্রকৃত অপরাধীদের পরিচয় জানানো হবে।