ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

৭ স্থানে পরীক্ষামূলক চালু হলো ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেম

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর বাংলামোটরে পরীক্ষামূলক চালু হয়েছে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেম। ছবি সংগৃহিত

রাজধানীর যানজট নিরসনে আজ থেকে চালু হলো ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেমের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুই সিটির সাতটি ইন্টারসেকশনে চালু করা হয়। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অটোমেশন সিস্টেমে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।

২০০১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত অটোমেটিক ট্রাফিক সিস্টেম স্থাপনে তিনবার আলাদা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিলো। যার মধ্যে ছিল সোলার প্যানেল, রিমোট কন্ট্রোল ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মত সর্বাধুনিক পদ্ধতি। দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ, অসম্পূর্ণ ট্রায়াল ও নানা অনিয়মে আলোর মুখ দেখেনি একটি প্রকল্পও।

জানা গেছে, ২০০১-০২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ৭০টি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বছর না পেরোতেই পুরো সিস্টেম বিকল হয়ে পড়ে। এরপর ২০১২-১৩ অর্থবছরে ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২৯টি ইন্টারসেকশনে বসানো হয় সিগন্যাল বাতি, সেবার বিশ্বব্যাংক বরাদ্দ দিয়েছিল ১১২ কোটি টাকা। সবশেষ ২০১৬ সালে ঢাকার চারটি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিস্টেম বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিল ডিটিসিএ।
এবার নগরবাসীকে তীব্র যানজট থেকে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি যানজটে হারানো কর্মঘণ্টা বাঁচাতে অটোমেটিক ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে অন্তবর্তী সরকার। শুরুতেই হাইকোর্ট থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সাতটি ও পর্যায়ক্রমে ২২টি ইন্টার-সেকশনে এই সিস্টেম চালু করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশীজন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ডিটিসিএ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
 
ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার জানান, পরীক্ষামূলক পাইলটিংয়ের লক্ষ্য সচেতনতা বৃদ্ধি। আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর আগে সচেতনতা, সক্ষমতা যাচাই ও ত্রুটি শনাক্তের জন্য দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় নেবে পরীক্ষামূলক এই প্রকল্প।
 
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈনউদ্দিন জানান, শহরজুড়ে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করেছে দুই সিটি করপোরেশন।
ডিএমপি ট্রাফিক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, এ ব্যবস্থায় সিগন্যাল অমান্য করলেই গুনতে হবে জরিমানা।
আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৭ স্থানে পরীক্ষামূলক চালু হলো ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেম

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর বাংলামোটরে পরীক্ষামূলক চালু হয়েছে ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেম। ছবি সংগৃহিত

রাজধানীর যানজট নিরসনে আজ থেকে চালু হলো ট্রাফিক সিগন্যাল অটোমেশন সিস্টেমের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম। প্রাথমিকভাবে ঢাকার দুই সিটির সাতটি ইন্টারসেকশনে চালু করা হয়। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অটোমেশন সিস্টেমে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।

২০০১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত অটোমেটিক ট্রাফিক সিস্টেম স্থাপনে তিনবার আলাদা প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিলো। যার মধ্যে ছিল সোলার প্যানেল, রিমোট কন্ট্রোল ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মত সর্বাধুনিক পদ্ধতি। দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণ, অসম্পূর্ণ ট্রায়াল ও নানা অনিয়মে আলোর মুখ দেখেনি একটি প্রকল্পও।

জানা গেছে, ২০০১-০২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ৭০টি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বছর না পেরোতেই পুরো সিস্টেম বিকল হয়ে পড়ে। এরপর ২০১২-১৩ অর্থবছরে ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২৯টি ইন্টারসেকশনে বসানো হয় সিগন্যাল বাতি, সেবার বিশ্বব্যাংক বরাদ্দ দিয়েছিল ১১২ কোটি টাকা। সবশেষ ২০১৬ সালে ঢাকার চারটি ইন্টারসেকশনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিস্টেম বসানোর উদ্যোগ নিয়েছিল ডিটিসিএ।
এবার নগরবাসীকে তীব্র যানজট থেকে মুক্তি দেয়ার পাশাপাশি যানজটে হারানো কর্মঘণ্টা বাঁচাতে অটোমেটিক ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে অন্তবর্তী সরকার। শুরুতেই হাইকোর্ট থেকে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সাতটি ও পর্যায়ক্রমে ২২টি ইন্টার-সেকশনে এই সিস্টেম চালু করা হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অংশীজন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ডিটিসিএ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
 
ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার জানান, পরীক্ষামূলক পাইলটিংয়ের লক্ষ্য সচেতনতা বৃদ্ধি। আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর আগে সচেতনতা, সক্ষমতা যাচাই ও ত্রুটি শনাক্তের জন্য দুই থেকে তিন সপ্তাহ সময় নেবে পরীক্ষামূলক এই প্রকল্প।
 
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈনউদ্দিন জানান, শহরজুড়ে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দরপত্র আহ্বান করেছে দুই সিটি করপোরেশন।
ডিএমপি ট্রাফিক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, এ ব্যবস্থায় সিগন্যাল অমান্য করলেই গুনতে হবে জরিমানা।