ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের অপরাধের ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে অপপ্রচার শনাক্ত

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেশি দেশ ভারতে সংঘটিত পুরোনো এক অপরাধের ভিডিও ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ।

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, প্রকাশ্যে নারী অপহরণের একটি ভিডিওকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার ঘটনা বলে ফেসবুকে ছড়ানো হয়। ভিডিওটি দিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি আসলে ভারতের উত্তরপ্রদেশের একটি ঘটনার।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভিডিওটির উৎস খুঁজে পেতে প্রথমে রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হয়। এতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ওয়েবসাইটে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ভিডিও পাওয়া যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশের বরেলি জেলায় ঘটনাটি ঘটে। সেখানে এক মেয়ে পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন। এজন্য এই দম্পতিকে মেয়েটির পরিবারের লোকজন মারধর করে এবং মেয়েটিকে তার পরিবারের লোকজন মোটরসাইকেলে করে জোর করে নিয়ে যায়। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে উদ্ধৃত করে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এই তথ্য প্রকাশ করে।

ফ্যাক্টওয়াচ নিশ্চিত করে, ফেসবুকে ছড়ানো ভিডিওটি বান্দরবানের নয়, বরং ভারতের। ফলে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দাবিটি মিথ্যা হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

ভারতের অপরাধের ভিডিওকে বাংলাদেশের বলে অপপ্রচার শনাক্ত

আপডেট সময় : ০১:১৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

প্রতিবেশি দেশ ভারতে সংঘটিত পুরোনো এক অপরাধের ভিডিও ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্টওয়াচ।

ফ্যাক্টওয়াচ জানায়, প্রকাশ্যে নারী অপহরণের একটি ভিডিওকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার ঘটনা বলে ফেসবুকে ছড়ানো হয়। ভিডিওটি দিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভিডিওটি আসলে ভারতের উত্তরপ্রদেশের একটি ঘটনার।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভিডিওটির উৎস খুঁজে পেতে প্রথমে রিভার্স ইমেজ সার্চ করা হয়। এতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ওয়েবসাইটে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে একই ভিডিও পাওয়া যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তরপ্রদেশের বরেলি জেলায় ঘটনাটি ঘটে। সেখানে এক মেয়ে পরিবারের অমতে বিয়ে করেছিলেন। এজন্য এই দম্পতিকে মেয়েটির পরিবারের লোকজন মারধর করে এবং মেয়েটিকে তার পরিবারের লোকজন মোটরসাইকেলে করে জোর করে নিয়ে যায়। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে উদ্ধৃত করে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এই তথ্য প্রকাশ করে।

ফ্যাক্টওয়াচ নিশ্চিত করে, ফেসবুকে ছড়ানো ভিডিওটি বান্দরবানের নয়, বরং ভারতের। ফলে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দাবিটি মিথ্যা হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।