ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

দেশ এখন স্থিতিশীল, আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা আবারও জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, দেশ এখন স্থিতিশীল রয়েছে, সরকার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।

সোমবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পর্যটন নগরীর হোটেল বে ওয়াচে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আয়োজিত অংশীজন সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সরকারপ্রধান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমি এখানে এসেছি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে। এক বছর আগে আমরা দেশকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে ছাত্রদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানে এক হত্যাযজ্ঞের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। এখন আমরা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরেকটি রূপান্তরের জন্য প্রস্তুত। আমরা নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছি। এক বছরে দেশ নির্বাচন আয়োজন করার মতো যথেষ্ট প্রস্তুত এবং স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে। তাই আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জায়গায় নির্বাচিত একটি সরকার দায়িত্ব নেবে। আমরা আশা করি, রোহিঙ্গাদের নিজেদের ঘরে ফিরে যাওয়ার একটা সমাধান বের করতে পারবো।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সশস্ত্র ঘাতকদের থামানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও টেকসই সমাধানের পথ খুঁজতে কক্সবাজারে চলছে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছেন প্রধান উপদেষ্টা। আজই তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

প্রায় আট বছর আগে নির্যাতন ও গণহত্যার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। তাদের কীভাবে নিজ দেশে ফেরানো যায় সেই উপায় খুঁজতে জাতিসংঘ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সরকারের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা এই সংলাপ করছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশ এখন স্থিতিশীল, আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১২:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতে দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা আবারও জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, দেশ এখন স্থিতিশীল রয়েছে, সরকার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত।

সোমবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পর্যটন নগরীর হোটেল বে ওয়াচে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আয়োজিত অংশীজন সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সরকারপ্রধান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমি এখানে এসেছি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে। এক বছর আগে আমরা দেশকে ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে ছাত্রদের নেতৃত্বে অভ্যুত্থানে এক হত্যাযজ্ঞের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। এখন আমরা আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে আরেকটি রূপান্তরের জন্য প্রস্তুত। আমরা নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছি। এক বছরে দেশ নির্বাচন আয়োজন করার মতো যথেষ্ট প্রস্তুত এবং স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে। তাই আমরা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজন করার ঘোষণা দিয়েছি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জায়গায় নির্বাচিত একটি সরকার দায়িত্ব নেবে। আমরা আশা করি, রোহিঙ্গাদের নিজেদের ঘরে ফিরে যাওয়ার একটা সমাধান বের করতে পারবো।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সশস্ত্র ঘাতকদের থামানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও টেকসই সমাধানের পথ খুঁজতে কক্সবাজারে চলছে তিন দিনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারে পৌঁছেন প্রধান উপদেষ্টা। আজই তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

প্রায় আট বছর আগে নির্যাতন ও গণহত্যার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। তাদের কীভাবে নিজ দেশে ফেরানো যায় সেই উপায় খুঁজতে জাতিসংঘ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সরকারের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা এই সংলাপ করছেন।