ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

আট ঘণ্টা পর মুক্ত জবি ভিসি, চলছে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১১:০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষার্থীদের দুই দাবিতে ৮ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ-প্রক্টর-রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তারা। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নীতিমালা চূড়ান্তকরণ ও রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সম্পূরক বৃত্তি দেওয়ার  দাবিতে দুপুরে ‘নো ওয়ার্ক কর্মসূচি’ ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রশাসনিক ভবনের গেটে তালা দেওয়া হলে ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের কাজ থমকে যায়।

রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জবি শাখার বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, আমরা তালা খুলে দিয়েছি। কিন্তু সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আমরা এখানেই অবস্থান করবো।

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, আমাদের কর্মসূচিকে শিক্ষকেরা বেয়াদবি হিসেবে নিচ্ছেন। আমরা শিক্ষকদের অসম্মানিত করতে চাই না। তাই কাউকে অবরুদ্ধ করে রাখব না। তবে নিজেদের অধিকার আদায়ে আমরা শেষ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

এদিকে, তালা খোলার পর রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ক্যাম্পাস ছেড়ে যান। এর আগে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

পরে উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রদের যে দুটো দাবি—জকসু নির্বাচন ও সম্পূরক বৃত্তি—এই দুটোই অগ্রসরমান। জকসুর বিষয়টি খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। আর বৃত্তির দাবি অনেকটাই এগিয়ে আছে। আশা করি দুটো দাবিই পূরণ হবে, তবে একটু সময় লাগবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আট ঘণ্টা পর মুক্ত জবি ভিসি, চলছে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ১১:০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

শিক্ষার্থীদের দুই দাবিতে ৮ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ-প্রক্টর-রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনিক ভবনের কর্মকর্তারা। তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নীতিমালা চূড়ান্তকরণ ও রোডম্যাপ ঘোষণা এবং সম্পূরক বৃত্তি দেওয়ার  দাবিতে দুপুরে ‘নো ওয়ার্ক কর্মসূচি’ ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রশাসনিক ভবনের গেটে তালা দেওয়া হলে ভেতরে-বাইরে বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের কাজ থমকে যায়।

রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জবি শাখার বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের সদস্য সচিব শাহিন মিয়া বলেন, আমরা তালা খুলে দিয়েছি। কিন্তু সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আমরা এখানেই অবস্থান করবো।

গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ বলেন, আমাদের কর্মসূচিকে শিক্ষকেরা বেয়াদবি হিসেবে নিচ্ছেন। আমরা শিক্ষকদের অসম্মানিত করতে চাই না। তাই কাউকে অবরুদ্ধ করে রাখব না। তবে নিজেদের অধিকার আদায়ে আমরা শেষ পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

এদিকে, তালা খোলার পর রাত ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ক্যাম্পাস ছেড়ে যান। এর আগে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

পরে উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রদের যে দুটো দাবি—জকসু নির্বাচন ও সম্পূরক বৃত্তি—এই দুটোই অগ্রসরমান। জকসুর বিষয়টি খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। আর বৃত্তির দাবি অনেকটাই এগিয়ে আছে। আশা করি দুটো দাবিই পূরণ হবে, তবে একটু সময় লাগবে।