ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

১২৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আড়াই কোটি টাকার বিল বকেয়া বিটিসিএলের

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের ১২১টি কারিগরি কলেজ এবং তিনটি মাদ্রাসায় ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন ও বিল বাবদ বিটিসিএলের দুই কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ২১ টাকা বকেয়া পড়ে আছে। যা নিয়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আইসিটি অধিশাখা এবং ১৯ আগস্ট কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের (সমন্বয়, এপিএ ও আইসিটি) শাখা-২ থেকে প্রকাশিত দুটি স্মারকে বৈঠকের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

গত ৭ আগস্ট এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের তৎকালীন সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম।

বৈঠকে জানানো হয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে বিটিসিএল ২০২০ সালে একটি প্রকল্পের আওতায় ১২১টি কারিগরি ও তিনটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও ওয়াইফাই চালুর উদ্যোগ নেয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ২০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সংযোগ দেওয়ার কথা ছিল।

আগস্ট ২০২১ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া সেবার বিপরীতে ২ কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ২১ টাকার বিল জমা হয়েছে। বকেয়া বিলের বিষয়টি যাচাই করতে শিক্ষা বিভাগ গত বছরের ডিসেম্বরে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি ঢাকা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার ১২টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেয়।

সভায় বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জানান, তাদের সংযোগ সচল থাকলে স্বল্প খরচে মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। তবে বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাদের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনসাপেক্ষ।

বৈঠকে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

১. সংযোগ সচল থাকলে ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যমান হারে বিল পরিশোধ করবে।

২. নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ রাখতে হবে— একটি বিটিসিএল, অন্যটি বিকল্প হিসেবে সরকারি বা বেসরকারি।

৩. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাবে বিটিসিএল।

৪. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিল সরাসরি তাদের কাছেই পাঠাতে হবে।

৫. এপি ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানের রাউটার বা লোকাল নেটওয়ার্কে ব্যান্ডউইথ সংযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, জুন ২০২৫ পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠানে কত দিন সংযোগ সচল ছিল, তার হালনাগাদ তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিভাগে পাঠাতে হবে। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই বকেয়া বিল নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১২৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আড়াই কোটি টাকার বিল বকেয়া বিটিসিএলের

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

দেশের ১২১টি কারিগরি কলেজ এবং তিনটি মাদ্রাসায় ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন ও বিল বাবদ বিটিসিএলের দুই কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ২১ টাকা বকেয়া পড়ে আছে। যা নিয়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ১৮ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আইসিটি অধিশাখা এবং ১৯ আগস্ট কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের (সমন্বয়, এপিএ ও আইসিটি) শাখা-২ থেকে প্রকাশিত দুটি স্মারকে বৈঠকের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

গত ৭ আগস্ট এ বিষয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের তৎকালীন সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম।

বৈঠকে জানানো হয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীনে বিটিসিএল ২০২০ সালে একটি প্রকল্পের আওতায় ১২১টি কারিগরি ও তিনটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও ওয়াইফাই চালুর উদ্যোগ নেয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে ২০ এমবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সংযোগ দেওয়ার কথা ছিল।

আগস্ট ২০২১ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেওয়া সেবার বিপরীতে ২ কোটি ৬১ লাখ ৬৪ হাজার ২১ টাকার বিল জমা হয়েছে। বকেয়া বিলের বিষয়টি যাচাই করতে শিক্ষা বিভাগ গত বছরের ডিসেম্বরে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি ঢাকা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার ১২টি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেয়।

সভায় বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অন্যান্য কর্মকর্তারা জানান, তাদের সংযোগ সচল থাকলে স্বল্প খরচে মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। তবে বকেয়া বিল পরিশোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাদের পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদনসাপেক্ষ।

বৈঠকে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

১. সংযোগ সচল থাকলে ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যমান হারে বিল পরিশোধ করবে।

২. নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে দুটি ব্রডব্যান্ড সংযোগ রাখতে হবে— একটি বিটিসিএল, অন্যটি বিকল্প হিসেবে সরকারি বা বেসরকারি।

৩. কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাবে বিটিসিএল।

৪. বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিল সরাসরি তাদের কাছেই পাঠাতে হবে।

৫. এপি ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানের রাউটার বা লোকাল নেটওয়ার্কে ব্যান্ডউইথ সংযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, জুন ২০২৫ পর্যন্ত কোন প্রতিষ্ঠানে কত দিন সংযোগ সচল ছিল, তার হালনাগাদ তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিভাগে পাঠাতে হবে। ওই তথ্যের ভিত্তিতেই বকেয়া বিল নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।