ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

জঙ্গি নাটকে ৭ জনকে হত্যা, ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৭০ বার পড়া হয়েছে

২০১৬ সালে গাজীপুরে কথিত জঙ্গি অভিযান পরিচালনার নামে ৭ জনকে হত্যার অভিযোগে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৮ আগস্ট) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্যানেল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই অভিযানে নিহতদের পরিবার শুরু থেকেই বলে আসছিলেন—এটি ছিল ‘একটি সাজানো জঙ্গি অভিযান’। পরবর্তীতে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে উঠে আসে একাধিক প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, তথ্য গোপন এবং হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত।

রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালে দাবি করে, জঙ্গি অভিযানের নামে ওই ৭ জনকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনাটি ছিল ‘পূর্বপরিকল্পিত এবং রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার’।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনের নাম আদালতে উপস্থাপন করা হয়। সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী ছাড়াও তালিকায় আছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন আরও চার কর্মকর্তা। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল বলেছে, প্রাথমিক তথ্যে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মানবতাবিরোধী আচরণের’ প্রমাণ মিলেছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো—অন্যায়ভাবে হত্যা, সাজানো অভিযান পরিচালনা, নিহতদের পরিচয় গোপন করা এবং ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার।

ট্রাইব্যুনাল তাদের দেশের অভ্যন্তরে কোথায় আছেন, তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে, নিহতদের পরিবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করে বলেন, ২০১৬ সালের ওই অভিযানে নিহতদের জঙ্গি বলে প্রচার করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে তারা নিরীহ ছিলেন। নিহতদের কয়েকজন শিক্ষার্থী, দিনমজুর ও দোকান কর্মচারী ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন ও মামলার নথিপত্র যাচাই করে ট্রাইব্যুনাল মনে করে, এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানি এবং সাক্ষ্যগ্রহণ প্রয়োজন।

তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনাটি ঘটানো হয়েছিল রাজনৈতিক নির্দেশনাকে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে, যার ফলে সাধারণ মানুষের প্রাণ গেছে এবং দেশে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জঙ্গি নাটকে ৭ জনকে হত্যা, ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

২০১৬ সালে গাজীপুরে কথিত জঙ্গি অভিযান পরিচালনার নামে ৭ জনকে হত্যার অভিযোগে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৮ আগস্ট) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক প্যানেল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই অভিযানে নিহতদের পরিবার শুরু থেকেই বলে আসছিলেন—এটি ছিল ‘একটি সাজানো জঙ্গি অভিযান’। পরবর্তীতে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তে উঠে আসে একাধিক প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত, তথ্য গোপন এবং হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত।

রাষ্ট্রপক্ষ ট্রাইব্যুনালে দাবি করে, জঙ্গি অভিযানের নামে ওই ৭ জনকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনাটি ছিল ‘পূর্বপরিকল্পিত এবং রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার’।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনের নাম আদালতে উপস্থাপন করা হয়। সাবেক আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী ছাড়াও তালিকায় আছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন আরও চার কর্মকর্তা। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল বলেছে, প্রাথমিক তথ্যে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মানবতাবিরোধী আচরণের’ প্রমাণ মিলেছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো—অন্যায়ভাবে হত্যা, সাজানো অভিযান পরিচালনা, নিহতদের পরিচয় গোপন করা এবং ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার।

ট্রাইব্যুনাল তাদের দেশের অভ্যন্তরে কোথায় আছেন, তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে, নিহতদের পরিবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করে বলেন, ২০১৬ সালের ওই অভিযানে নিহতদের জঙ্গি বলে প্রচার করা হলেও, প্রকৃতপক্ষে তারা নিরীহ ছিলেন। নিহতদের কয়েকজন শিক্ষার্থী, দিনমজুর ও দোকান কর্মচারী ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন ও মামলার নথিপত্র যাচাই করে ট্রাইব্যুনাল মনে করে, এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানি এবং সাক্ষ্যগ্রহণ প্রয়োজন।

তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনাটি ঘটানো হয়েছিল রাজনৈতিক নির্দেশনাকে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে, যার ফলে সাধারণ মানুষের প্রাণ গেছে এবং দেশে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছিল।