ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

পুতিন ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে রাজি হয়েছেন : ট্রাম্পের দূত

রাশিয়া ইউক্রেনকে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। তার মতে, এটি ইউক্রেন যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

রোববার (১৭ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন তিনি। সেখানে উইটকফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রস্তাবে পুতিন রাজি হয়েছেন। আমি একে একটি মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত বলেই মনে করি।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়টি ন্যাটো জোটের ‘অনুচ্ছেদ–৫’ এর আদলে তৈরি করা যেতে পারে। তার ভাষায়, আমরা একমত হয়েছি যে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে হলে এমন একটি ভাষা ব্যবহার করা হবে, যা কার্যত ন্যাটোর অনুচ্ছেদ–৫–এর মতোই।

উল্লেখ্য, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ–৫ অনুসারে, জোটের যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র বহিরাগত আগ্রাসনের শিকার হলে বাকি সদস্যরা সেটিকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবে। ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোর সদস্য হতে চায়। তবে বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার কড়া আপত্তি রয়েছে।

তবে এই পরিস্থিতিতে ভিন্ন অবস্থানে রয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শান্তি আলোচনা শুরুর মার্কিন আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, সংঘাত মীমাংসায় রাশিয়া বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। প্রতিটি শর্ত খতিয়ে দেখতে সময় লাগবে। তার মতে, আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের মধ্যে কোনো আলোচনাই বাস্তবসম্মত নয়।

জেলেনস্কি আরও বলেন, অস্ত্রের হুমকি মাথায় নিয়ে কোনো স্থায়ী ও যৌক্তিক শান্তি আলোচনা সম্ভব নয়।

রাশিয়া বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে নতুন করে সামরিক শক্তি সংগ্রহ করতে পারে। ফলে যুদ্ধ থামানো হলেও পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এমন এক প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তি ও এর উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেয়া হবে।

সূত্র: বিবিসি

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুতিন ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে রাজি হয়েছেন : ট্রাম্পের দূত

আপডেট সময় : ১১:৪৪:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

রাশিয়া ইউক্রেনকে শক্তিশালী নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। তার মতে, এটি ইউক্রেন যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

রোববার (১৭ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন তিনি। সেখানে উইটকফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রস্তাবে পুতিন রাজি হয়েছেন। আমি একে একটি মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত বলেই মনে করি।

তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়টি ন্যাটো জোটের ‘অনুচ্ছেদ–৫’ এর আদলে তৈরি করা যেতে পারে। তার ভাষায়, আমরা একমত হয়েছি যে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে হলে এমন একটি ভাষা ব্যবহার করা হবে, যা কার্যত ন্যাটোর অনুচ্ছেদ–৫–এর মতোই।

উল্লেখ্য, ন্যাটোর অনুচ্ছেদ–৫ অনুসারে, জোটের যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র বহিরাগত আগ্রাসনের শিকার হলে বাকি সদস্যরা সেটিকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবে। ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোর সদস্য হতে চায়। তবে বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার কড়া আপত্তি রয়েছে।

তবে এই পরিস্থিতিতে ভিন্ন অবস্থানে রয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শান্তি আলোচনা শুরুর মার্কিন আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, সংঘাত মীমাংসায় রাশিয়া বেশ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। প্রতিটি শর্ত খতিয়ে দেখতে সময় লাগবে। তার মতে, আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধের মধ্যে কোনো আলোচনাই বাস্তবসম্মত নয়।

জেলেনস্কি আরও বলেন, অস্ত্রের হুমকি মাথায় নিয়ে কোনো স্থায়ী ও যৌক্তিক শান্তি আলোচনা সম্ভব নয়।

রাশিয়া বলছে, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে নতুন করে সামরিক শক্তি সংগ্রহ করতে পারে। ফলে যুদ্ধ থামানো হলেও পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এমন এক প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষ করে ড্রোন প্রযুক্তি ও এর উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেয়া হবে।

সূত্র: বিবিসি