ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জামায়াতে ইসলামীর

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এরসঙ্গে জড়িতদের জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এছাড়া জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী শিক্ষা সিলেবাস তৈরি, দ্রুততম সময়ে অবসরভাতা প্রদানসহ নানা দাবি জানিয়েছে দলটি।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব দাবি উপস্থাপন করেন।

সাক্ষাৎ শেষে সচিবালয়ের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলে শিক্ষার মেরুদণ্ড হবে শিক্ষকরা। অতএব শিক্ষকরা না দাঁড়াতে পারলে শিক্ষা গড়ে উঠতে পারে না, জাতিকে গঠনও করতে পারে না। সেজন্য আমাদের প্রথম দাবি ছিল, এটা দলমত নির্বিশেষে সবারই দাবি-দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জড়িতদের জাতীয়করণ করতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষকরা থাকবে ক্লাসে। তারা কেন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাস্তায় থাকবে। শিক্ষকদের দাবি পূরণ ও তাদের এমপিও যাতে দেয়া হয়। বিশেষ করে গত ১৭ বছর যারা দলীয়কারণে বঞ্চিত ছিল, সেই নন এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিকরণ করা হোক। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে অবসরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভাতা পেতে পারেন। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো যাতে একইমানে এমপিওভুক্ত করা হয়। তারা এগুলো দেখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।

তিনি বলেন, আমরা সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সিলেবাস করার প্রস্তাব দিয়েছি।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা একেবারেই শেষ করে ফেলেছিল। বিশেষ ইসলামবিরোধী ও নৈতিকতাবিরোধী যে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল তাতে যুব সমাজের নৈতিকতা ধ্বংসের পর্যায়ে চলে গেছিল। সেগুলোকে সামনে রেখে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের ঘন্টাখানেক আলোচনা হয়েছে।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জামায়াতে ইসলামীর

আপডেট সময় : ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এরসঙ্গে জড়িতদের জাতীয়করণের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এছাড়া জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী শিক্ষা সিলেবাস তৈরি, দ্রুততম সময়ে অবসরভাতা প্রদানসহ নানা দাবি জানিয়েছে দলটি।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব দাবি উপস্থাপন করেন।

সাক্ষাৎ শেষে সচিবালয়ের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলে শিক্ষার মেরুদণ্ড হবে শিক্ষকরা। অতএব শিক্ষকরা না দাঁড়াতে পারলে শিক্ষা গড়ে উঠতে পারে না, জাতিকে গঠনও করতে পারে না। সেজন্য আমাদের প্রথম দাবি ছিল, এটা দলমত নির্বিশেষে সবারই দাবি-দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জড়িতদের জাতীয়করণ করতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষকরা থাকবে ক্লাসে। তারা কেন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাস্তায় থাকবে। শিক্ষকদের দাবি পূরণ ও তাদের এমপিও যাতে দেয়া হয়। বিশেষ করে গত ১৭ বছর যারা দলীয়কারণে বঞ্চিত ছিল, সেই নন এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিকরণ করা হোক। এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে অবসরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভাতা পেতে পারেন। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো যাতে একইমানে এমপিওভুক্ত করা হয়। তারা এগুলো দেখার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।

তিনি বলেন, আমরা সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সিলেবাস করার প্রস্তাব দিয়েছি।

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা একেবারেই শেষ করে ফেলেছিল। বিশেষ ইসলামবিরোধী ও নৈতিকতাবিরোধী যে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল তাতে যুব সমাজের নৈতিকতা ধ্বংসের পর্যায়ে চলে গেছিল। সেগুলোকে সামনে রেখে শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের ঘন্টাখানেক আলোচনা হয়েছে।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।