ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

চোখ খুলেছে মাহাতাব, নিঃশ্বাসও নিচ্ছে

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে

মো. মাহতাব

রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ শিক্ষার্থী মো. মাহতাব নিহত হয়েছেন এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে মাহাতাব এখনো বেঁচে আছে, চোখও মেলেছে।তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ভুয়া মৃত্যুর গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

মাহতাব বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চতুর্থ তলার আইসিইউর ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গেলেও শ্বাসনালী অক্ষত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে তার অবস্থা এখনো অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে তার বড় মামা মহিবুল হাসান শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাবার সঙ্গে স্কুলে যাতায়াত করত মাহতাব। স্কুল ছুটির ১০-১৫ মিনিট আগে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ওই স্কুলের অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী হতাহত হয়। এ সময় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের খুঁজে পেতে ছোটাছুটি করতে থাকেন। এ সময় মাহতাব রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বার্ন ইউনিটে নিয়ে যায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিউইতে নেওয়া হয়।

মাহতাবের মামা মহিবুল হাসান শামীম বলেন, ‘মাহতাব আমার ভাগিনা, সে এখনো বেঁচে আছে। সে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চতুর্থ তলার আইসিইউর (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার চিকিৎসকরা অভিভাবকের পক্ষ থেকে আমাকে আইসিইউতে নিয়ে যান, সেখানে আমি নিজের চোখে আমার ভাগিনাকে দেখে এসেছি। সে চোখ খুলেছ, নিজে নিজে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। চিকিৎসকরা বলছেন- তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

প্রসঙ্গত, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ঘটনায় পাইলটসহ এ পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চোখ খুলেছে মাহাতাব, নিঃশ্বাসও নিচ্ছে

আপডেট সময় : ০২:৩০:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

মো. মাহতাব

রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ শিক্ষার্থী মো. মাহতাব নিহত হয়েছেন এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে মাহাতাব এখনো বেঁচে আছে, চোখও মেলেছে।তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে ভুয়া মৃত্যুর গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

মাহতাব বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চতুর্থ তলার আইসিইউর ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে গেলেও শ্বাসনালী অক্ষত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তবে তার অবস্থা এখনো অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে তার বড় মামা মহিবুল হাসান শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বাবার সঙ্গে স্কুলে যাতায়াত করত মাহতাব। স্কুল ছুটির ১০-১৫ মিনিট আগে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ওই স্কুলের অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী হতাহত হয়। এ সময় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের খুঁজে পেতে ছোটাছুটি করতে থাকেন। এ সময় মাহতাব রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বার্ন ইউনিটে নিয়ে যায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় আইসিউইতে নেওয়া হয়।

মাহতাবের মামা মহিবুল হাসান শামীম বলেন, ‘মাহতাব আমার ভাগিনা, সে এখনো বেঁচে আছে। সে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চতুর্থ তলার আইসিইউর (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) ১১ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার চিকিৎসকরা অভিভাবকের পক্ষ থেকে আমাকে আইসিইউতে নিয়ে যান, সেখানে আমি নিজের চোখে আমার ভাগিনাকে দেখে এসেছি। সে চোখ খুলেছ, নিজে নিজে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। চিকিৎসকরা বলছেন- তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

প্রসঙ্গত, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় ঘটনায় পাইলটসহ এ পর্যন্ত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে।