ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ত্রাণ নিতে গিয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৭ ফিলিস্তিনি

গাজার উত্তরে জাতিসংঘের ত্রাণবাহী লরির জন্য অপেক্ষারত ৬৭ ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভূখণ্ডটির হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে, তাদের ২৫টি ট্রাকের বহর ইসরায়েল থেকে গাজায় ঢোকার চেকপয়েন্ট পার হওয়ার পরপরই ক্ষুধার্ত বেসামরিকদের ব্যাপক ভিড়ের মধ্যে পড়ে, ওই বেসামরিকদের লক্ষ্য করে পরে গুলিবর্ষণ হয়।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলছে, তারা ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ মোকাবেলায় ‘সতর্কতামূলক গুলি ছুড়েছিল’।

বিবিসি জানিয়েছে, এ ঘটনায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের যে সংখ্যা বলছে, তা নিয়ে আইডিএফের আপত্তি আছে।

গাজার অন্যত্র ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা আরও ৬ জন নিহত হয়েছে, আহত দেড়শর বেশি, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা বেশ গুরুতর।

সব মিলিয়ে তাদের হিসাবে কেবল রোববারই ইসরায়েলি গুলি ও বিমান হামলায় ৮৮ জন নিহত হয়েছে।

রোববারের উত্তর গাজার হতাহতদের বেশিরভাগকেই নিয়ে যাওয়া হয় শিফা হাসপাতালে। হাসপাতালটির চিকিৎসা পরিচালক ড. হাসান আল-শায়ের বিবিসিকে বলেছেন, তাদের হাসপাতাল আর চাপ সামলাতে পারছে না, তাই অনেককে অন্য ফিল্ড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের বাইরে এক নারী বিবিসিকে বলেন, পুরো জনগোষ্ঠীই মারা পড়ছে। শিশুরা ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে, কারণ তাদের খাওয়ার মতো কিছুই নেই। মানুষজন শুধু লবণ আর পানি খেয়ে বেঁচে আছে, শুধু লবণ আর পানি।

চলতি বছরের মে মাসের শেষদিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিনই গাজায় খাবার নিতে গিয়ে ফিলিস্তিনিদের হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছে। শনিবারও দক্ষিণ গাজার দুটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ শহর থেকে বাসিন্দা ও সেখানে আশ্রয় নেওয়া ফিলিস্তিনিদের যত দ্রুত সম্ভব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের আল-মাওয়াসির দিকে সরে যেতে বলেছে।

হামাসের সঙ্গে গত ২১ মাসের যুদ্ধে আইডিএফ কখনো দেইর আল-বালাহতে স্থল অভিযান চালায়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ত্রাণ নিতে গিয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬৭ ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

গাজার উত্তরে জাতিসংঘের ত্রাণবাহী লরির জন্য অপেক্ষারত ৬৭ ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভূখণ্ডটির হামাস-পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছে, তাদের ২৫টি ট্রাকের বহর ইসরায়েল থেকে গাজায় ঢোকার চেকপয়েন্ট পার হওয়ার পরপরই ক্ষুধার্ত বেসামরিকদের ব্যাপক ভিড়ের মধ্যে পড়ে, ওই বেসামরিকদের লক্ষ্য করে পরে গুলিবর্ষণ হয়।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলছে, তারা ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ মোকাবেলায় ‘সতর্কতামূলক গুলি ছুড়েছিল’।

বিবিসি জানিয়েছে, এ ঘটনায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিহতের যে সংখ্যা বলছে, তা নিয়ে আইডিএফের আপত্তি আছে।

গাজার অন্যত্র ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা আরও ৬ জন নিহত হয়েছে, আহত দেড়শর বেশি, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা বেশ গুরুতর।

সব মিলিয়ে তাদের হিসাবে কেবল রোববারই ইসরায়েলি গুলি ও বিমান হামলায় ৮৮ জন নিহত হয়েছে।

রোববারের উত্তর গাজার হতাহতদের বেশিরভাগকেই নিয়ে যাওয়া হয় শিফা হাসপাতালে। হাসপাতালটির চিকিৎসা পরিচালক ড. হাসান আল-শায়ের বিবিসিকে বলেছেন, তাদের হাসপাতাল আর চাপ সামলাতে পারছে না, তাই অনেককে অন্য ফিল্ড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের বাইরে এক নারী বিবিসিকে বলেন, পুরো জনগোষ্ঠীই মারা পড়ছে। শিশুরা ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে, কারণ তাদের খাওয়ার মতো কিছুই নেই। মানুষজন শুধু লবণ আর পানি খেয়ে বেঁচে আছে, শুধু লবণ আর পানি।

চলতি বছরের মে মাসের শেষদিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিনই গাজায় খাবার নিতে গিয়ে ফিলিস্তিনিদের হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছে। শনিবারও দক্ষিণ গাজার দুটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজার মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ শহর থেকে বাসিন্দা ও সেখানে আশ্রয় নেওয়া ফিলিস্তিনিদের যত দ্রুত সম্ভব ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের আল-মাওয়াসির দিকে সরে যেতে বলেছে।

হামাসের সঙ্গে গত ২১ মাসের যুদ্ধে আইডিএফ কখনো দেইর আল-বালাহতে স্থল অভিযান চালায়নি।