ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

২৯ জুলাই ডাকসুর তফসিল ঘোষণা, ভোট সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) তফসিল ঘোষণা করা হবে আগামী ২৯ জুলাই। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে ডাকসুর নির্বাচন কমিশন।

রবিবার (২০ জুলাই) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন এবং ডাকসুর অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, এটাই একমাত্র অফিসিয়াল তারিখ৷ তফসিল ঘোষণার পর ৪০-৪৫ দিন সময় লাগবে বলে আশা করছি৷ আমরা এই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর।

ডাকসু নির্বাচনের জন্য ছয়টি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সভায় জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তথ্যানুসন্ধান কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ১২৮ জনকে শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগে  সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে অন্যান্য অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে ২৫ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয়টি অভিযোগ জমা পড়লেও, পরে অভিযোগ জমার সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। এছাড়া, হল ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটির অভিযুক্ত সদস্যদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে ৩৭ বার। এর মধ্যে ২৯ বার অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে। আর স্বাধীনতার ৫৩ বছরে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পেরেছেন মাত্র ৮ বার।

১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতি বছর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ডাকসু মনোনীত পাঁচ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেটের সদস্য হয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সমস্যা তুলে ধরেন।

সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ১১ মার্চ। ব্যাপক কারচুপির মধ্য দিয়ে সে নির্বাচন এনে দিয়েছে ডাকসুর ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্ক। এ নির্বাচনের ফলে শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন ও অমানবিকীকরণ কিছুটা কমে এলেও ডাকসুর প্রভাব পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এরপরে কেটে গেছে ৫ বছর, হয়নি কোনো নির্বাচন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২৯ জুলাই ডাকসুর তফসিল ঘোষণা, ভোট সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে

আপডেট সময় : ০২:২০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) তফসিল ঘোষণা করা হবে আগামী ২৯ জুলাই। সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে ডাকসুর নির্বাচন কমিশন।

রবিবার (২০ জুলাই) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠন এবং ডাকসুর অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, এটাই একমাত্র অফিসিয়াল তারিখ৷ তফসিল ঘোষণার পর ৪০-৪৫ দিন সময় লাগবে বলে আশা করছি৷ আমরা এই সময়ের মধ্যেই নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর।

ডাকসু নির্বাচনের জন্য ছয়টি ভোটকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

সভায় জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত তথ্যানুসন্ধান কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে এখন পর্যন্ত ১২৮ জনকে শৃঙ্খলা ভাঙার অভিযোগে  সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে অন্যান্য অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে ২৫ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয়টি অভিযোগ জমা পড়লেও, পরে অভিযোগ জমার সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। এছাড়া, হল ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কমিটির অভিযুক্ত সদস্যদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে ৩৭ বার। এর মধ্যে ২৯ বার অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে। আর স্বাধীনতার ৫৩ বছরে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পেরেছেন মাত্র ৮ বার।

১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতি বছর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। ডাকসু মনোনীত পাঁচ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিনেটের সদস্য হয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সমস্যা তুলে ধরেন।

সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ১১ মার্চ। ব্যাপক কারচুপির মধ্য দিয়ে সে নির্বাচন এনে দিয়েছে ডাকসুর ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্ক। এ নির্বাচনের ফলে শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন ও অমানবিকীকরণ কিছুটা কমে এলেও ডাকসুর প্রভাব পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। এরপরে কেটে গেছে ৫ বছর, হয়নি কোনো নির্বাচন।