ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

কোরআন তিলাওয়াত শোনার ৩টি উপকারিতা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

কোরআন আল্লাহ তায়ালার বাণী। তিলাওয়াতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। তিলায়াতের পাশাপাশি শোনার মাধ্যমে বিশেষ উপকার লাভ হয়। রাসূল (সাঃ) নিজেও সাহাবিদের কাছ থেকে কোরআন তিলাওয়াত শুনতেন।  এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) আমাকে বলেন, আমার কাছে কোরআন পাঠ করো।

আমি বললাম, আমি আপনার কাছে কোরআন পাঠ করব, অথচ আপনারই ওপর কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, আমি অন্যের তিলাওয়াত শুনতে পছন্দ করি। (বুখারি, হাদিস : ৫০৫৬)

কোরআন তিলাওয়াত শোনার বিশেষ ফজিলতের কয়েকটি তুলে ধরা হলো—

আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়

যখন কোরআন তিলাওয়াত করা হয়, তখন মহান আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়। যারা মনোযোগ সহকারে কোরআন তিলাওয়াত শোনে, তাদের ওপরও রহমত অবতীর্ণ হয়।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শোনো এবং নিশ্চুপ হয়ে থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি রহমত করা হয়।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২০৪)

 

আল্লাহর প্রশংসা পাওয়া যায়

যারা কোরআনের মজলিসে অংশ নিয়ে ভক্তি-শ্রদ্ধার সঙ্গে কোরআন তিলাওয়াত করে এবং শোনে, মহান আল্লাহ ফেরেশতাদের মজলিসে তাদের প্রশংসা করেন।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর কোনো ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পরে তা নিয়ে আলোচনা করে, তখন তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হয়, তাদেরকে রহমত ঢেকে নেয়, ফেরেশতারা তাদেরকে ঘিরে রাখে, এবং আল্লাহ তাঁর নিকটবর্তী ফেরেশতাদের কাছে তাদের প্রশংসা করেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৫৫)

 

হিদায়াতের পথ দেখায় 

পবিত্র কোরআন মানুষকে হিদায়াতের পথ দেখায়। কোরআন মানুষের হৃদয়কে যেমন প্রশান্ত করে, তেমনি হৃদয়ের বক্রতা দূর করতেও এর কার্যকর ভূমিকা রাখে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই এই কোরআন হিদায়াত করে সে পথের দিকে, যা সর্বশ্রেষ্ঠ (সরল, সুদৃঢ়) এবং সত্কর্মপরায়ণ মুমিনদের সুসংবাদ দেয় যে তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার।’ (সূরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৯)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে, অতঃপর তার মধ্যে যা উত্তম তা অনুসরণ করে, তাদেরকেই আল্লাহ হিদায়াত দান করেন আর তারাই বুদ্ধিমান।’ (সুরা : যুমার, আয়াত : ১৮)

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কোরআন তিলাওয়াত শোনার ৩টি উপকারিতা

আপডেট সময় : ১২:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কোরআন আল্লাহ তায়ালার বাণী। তিলাওয়াতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। তিলায়াতের পাশাপাশি শোনার মাধ্যমে বিশেষ উপকার লাভ হয়। রাসূল (সাঃ) নিজেও সাহাবিদের কাছ থেকে কোরআন তিলাওয়াত শুনতেন।  এক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) আমাকে বলেন, আমার কাছে কোরআন পাঠ করো।

আমি বললাম, আমি আপনার কাছে কোরআন পাঠ করব, অথচ আপনারই ওপর কোরআন অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, আমি অন্যের তিলাওয়াত শুনতে পছন্দ করি। (বুখারি, হাদিস : ৫০৫৬)

কোরআন তিলাওয়াত শোনার বিশেষ ফজিলতের কয়েকটি তুলে ধরা হলো—

আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়

যখন কোরআন তিলাওয়াত করা হয়, তখন মহান আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়। যারা মনোযোগ সহকারে কোরআন তিলাওয়াত শোনে, তাদের ওপরও রহমত অবতীর্ণ হয়।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শোনো এবং নিশ্চুপ হয়ে থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি রহমত করা হয়।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২০৪)

 

আল্লাহর প্রশংসা পাওয়া যায়

যারা কোরআনের মজলিসে অংশ নিয়ে ভক্তি-শ্রদ্ধার সঙ্গে কোরআন তিলাওয়াত করে এবং শোনে, মহান আল্লাহ ফেরেশতাদের মজলিসে তাদের প্রশংসা করেন।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর কোনো ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পরে তা নিয়ে আলোচনা করে, তখন তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হয়, তাদেরকে রহমত ঢেকে নেয়, ফেরেশতারা তাদেরকে ঘিরে রাখে, এবং আল্লাহ তাঁর নিকটবর্তী ফেরেশতাদের কাছে তাদের প্রশংসা করেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৫৫)

 

হিদায়াতের পথ দেখায় 

পবিত্র কোরআন মানুষকে হিদায়াতের পথ দেখায়। কোরআন মানুষের হৃদয়কে যেমন প্রশান্ত করে, তেমনি হৃদয়ের বক্রতা দূর করতেও এর কার্যকর ভূমিকা রাখে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই এই কোরআন হিদায়াত করে সে পথের দিকে, যা সর্বশ্রেষ্ঠ (সরল, সুদৃঢ়) এবং সত্কর্মপরায়ণ মুমিনদের সুসংবাদ দেয় যে তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার।’ (সূরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৯)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে, অতঃপর তার মধ্যে যা উত্তম তা অনুসরণ করে, তাদেরকেই আল্লাহ হিদায়াত দান করেন আর তারাই বুদ্ধিমান।’ (সুরা : যুমার, আয়াত : ১৮)