ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

অজ্ঞাত তরুণী হত্যার ১৬ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে অজ্ঞাত তরুণী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ ১৬ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারী স্বামী কামরুজ্জামান (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশ।

রোববার রাত সাড়ে তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার সোনামুড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, ভাটারা থানা পুলিশ গত ৫ জুলাই সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পায় যে, খিলবাড়িরটেক এলাকায় একটি ৬ তলা ভবনের ৪র্থ তলার পূর্বপাশের ইউনিটে এক অজ্ঞাতনামা তরুণীর লাশ উদ্ধার পাওয়া গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে ভাটারা থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অজ্ঞাত তরুণীর পরিচয় সনাক্ত করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা মোছা. আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে ভাটারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

থানা সূত্রে আরও জানা যায়, মামলা রুজুর পর ভাটারা থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র ১৬ ঘণ্টার মধ্যে তামান্না আক্তারের স্বামী কামরুজ্জামানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার সোনামুড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তামান্না আক্তার ও কামরুজ্জামানের প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গার্মেন্টস/ফ্যাক্টরিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। গত ৪ জুলাই রাত আনুমানিক ৯ টায় তারা ভাটারা থানার খিলবাড়িরটেক এলাকায় একটি ৬ তলা ভবনের ৪র্থ তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন।

একই দিন রাত ১১ টায় পারিবারিক কলহের জেরে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে কামরুজ্জামান তার স্ত্রী তামান্না আক্তারের গলা টিপে এবং বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অজ্ঞাত তরুণী হত্যার ১৬ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৪:৫১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

রাজধানীতে অজ্ঞাত তরুণী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ ১৬ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকারী স্বামী কামরুজ্জামান (৩০)কে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশ।

রোববার রাত সাড়ে তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার সোনামুড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার ডিএমপির মিডিয়া বিভাগ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, ভাটারা থানা পুলিশ গত ৫ জুলাই সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পায় যে, খিলবাড়িরটেক এলাকায় একটি ৬ তলা ভবনের ৪র্থ তলার পূর্বপাশের ইউনিটে এক অজ্ঞাতনামা তরুণীর লাশ উদ্ধার পাওয়া গেছে।

তাৎক্ষণিকভাবে ভাটারা থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অজ্ঞাত তরুণীর পরিচয় সনাক্ত করে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা মোছা. আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে ভাটারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

থানা সূত্রে আরও জানা যায়, মামলা রুজুর পর ভাটারা থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র ১৬ ঘণ্টার মধ্যে তামান্না আক্তারের স্বামী কামরুজ্জামানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানার সোনামুড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তামান্না আক্তার ও কামরুজ্জামানের প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা গাজীপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গার্মেন্টস/ফ্যাক্টরিতে কাজ করে সংসার চালাতেন। গত ৪ জুলাই রাত আনুমানিক ৯ টায় তারা ভাটারা থানার খিলবাড়িরটেক এলাকায় একটি ৬ তলা ভবনের ৪র্থ তলায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন।

একই দিন রাত ১১ টায় পারিবারিক কলহের জেরে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে কামরুজ্জামান তার স্ত্রী তামান্না আক্তারের গলা টিপে এবং বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। হত্যার পর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।