ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে শিশু ধর্ষণের মামলায় গৃহশিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর বনশ্রীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় তার গৃহশিক্ষক জাহিদুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৯ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মোছাম্মৎ রোকশানা বেগম হ্যাপী এ রায় দেন।

রায় শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।’

মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ক্ষোভ জানিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বলেন, ‘রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বনশ্রী এলাকার একটি বাড়ির নিরাপত্তা কর্মীর ৭ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করেন গৃহশিক্ষক জাহিদুল ইসলাম। আরবি পড়াতে গিয়ে বাসার ওয়াশরুমের দরজা আটকে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন জাহিদুল। এ ঘটনায় খিলগাঁও থানায় একটি মামলায় দায়ের করা হয়।

২০২১ সালের ২৪ জুলাই মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক মোসা. রাশিদা জাহান রুনা তালুকদার তদন্ত করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। পরের বছরের ২০ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

আপলোডকারীর তথ্য

অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়?

রাজধানীতে শিশু ধর্ষণের মামলায় গৃহশিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

রাজধানীর বনশ্রীতে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় তার গৃহশিক্ষক জাহিদুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৯ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক মোছাম্মৎ রোকশানা বেগম হ্যাপী এ রায় দেন।

রায় শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।’

মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ক্ষোভ জানিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বলেন, ‘রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বনশ্রী এলাকার একটি বাড়ির নিরাপত্তা কর্মীর ৭ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করেন গৃহশিক্ষক জাহিদুল ইসলাম। আরবি পড়াতে গিয়ে বাসার ওয়াশরুমের দরজা আটকে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন জাহিদুল। এ ঘটনায় খিলগাঁও থানায় একটি মামলায় দায়ের করা হয়।

২০২১ সালের ২৪ জুলাই মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক মোসা. রাশিদা জাহান রুনা তালুকদার তদন্ত করে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। পরের বছরের ২০ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।