ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

কলেজছাত্র মিনহাজকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজের ছাত্র মিনহাজ হত্যার ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ। এ ঘটনায় তাদের গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেফতার করেছে ডিবি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মাহফুজ ওরফে মো. মাহফুজ সরকার, মো. জাহিদুল ভূঁইয়া শাওন, মো. সাব্বির সরকার, মো. আশিক ও মো. সোহান মিয়া। এ ঘটনার মূলহোতা মাহফুজ।

রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, মিনহাজকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে পাঁচ জন আসামিকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মিনহাজুলের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে কিং মাহফুজসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে যাত্রবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত মিনহাজুল যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় অবস্থিত দনিয়া কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৬ জানুয়ারি দনিয়া কলেজে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মিনহাজুলের সাথে মাহফুজ ওরফে কিং মাহফুজসহ অন্য আসামিদের তর্কবিতর্ক হয়।

পরে ২৮ জানুয়ারি বিকেলে মিনহাজ ও তার বন্ধু আহাদ দনিয়া কলেজের সামনে গেলে সেখানে কিং মাহফুজসহ অন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সুইচ গিয়ার, চাকু, চাপাতি, রাম দাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে মিনহাজুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহত মিনহাজুলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কলেজছাত্র মিনহাজকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা

আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজের ছাত্র মিনহাজ হত্যার ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারী বিভাগ। এ ঘটনায় তাদের গ্রেফতারের পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) পটুয়াখালী সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদেরকে পটুয়াখালী জেলা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেফতার করেছে ডিবি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মাহফুজ ওরফে মো. মাহফুজ সরকার, মো. জাহিদুল ভূঁইয়া শাওন, মো. সাব্বির সরকার, মো. আশিক ও মো. সোহান মিয়া। এ ঘটনার মূলহোতা মাহফুজ।

রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, মিনহাজকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে পাঁচ জন আসামিকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মিনহাজুলের বড় ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে কিং মাহফুজসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে যাত্রবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত মিনহাজুল যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় অবস্থিত দনিয়া কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৬ জানুয়ারি দনিয়া কলেজে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মিনহাজুলের সাথে মাহফুজ ওরফে কিং মাহফুজসহ অন্য আসামিদের তর্কবিতর্ক হয়।

পরে ২৮ জানুয়ারি বিকেলে মিনহাজ ও তার বন্ধু আহাদ দনিয়া কলেজের সামনে গেলে সেখানে কিং মাহফুজসহ অন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে সুইচ গিয়ার, চাকু, চাপাতি, রাম দাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে মিনহাজুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহত মিনহাজুলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।