ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে হওয়া যেকোনো অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভারতীয়রা অনেক সময় মাদকদ্রব্য উৎপাদন করে, বিশেষ করে ফেন্সিডিল। যদিও তারা দাবি করে যে এটি ওষুধ হিসেবে তৈরি হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে এটি মাদক হিসেবেই তৈরি হয় এবং বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো কাজ করতে হলে দুই দেশের সম্মতি প্রয়োজন। একপক্ষীয়ভাবে কাজ করা উচিত নয়। ভবিষ্যতে যদি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ, যেমন মসজিদ বা মন্দির নির্মাণ, করতে হয়, তাহলে দুই দেশের সম্মতি নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়া হবে।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও জানান, সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী বা নাগরিকদের দ্বারা বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা, নিরস্ত্র অবস্থায় গুলি চালানো বা আহত করার ঘটনা বন্ধ করতে আলোচনা হবে। এছাড়া, বিএসএফ বা ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা বাংলাদেশি নাগরিকদের আটক করা বা ধরে নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাগুলিও আলোচনায় আসবে।

তিনি সীমান্তে অবৈধ পারাপার, সীমানা লঙ্ঘন এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, গোলাবারুদ বা বিস্ফোরক দ্রব্য চোরাচালান রোধ করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান।

এছাড়া, বাংলাদেশের আখাউড়া অঞ্চলের দিকে ভারতীয় আগরতলা থেকে বর্জ্য পানি প্রবাহিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে, এ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চারটি খালে পানি শোধনাগার স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানির সুষম বণ্টন, পানি উত্তোলন, পানি চুক্তির বাস্তবায়ন এবং রহিমপুর খালের মুখ পুনঃউন্মুক্তকরণের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে হওয়া যেকোনো অসম চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভারতীয়রা অনেক সময় মাদকদ্রব্য উৎপাদন করে, বিশেষ করে ফেন্সিডিল। যদিও তারা দাবি করে যে এটি ওষুধ হিসেবে তৈরি হচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে এটি মাদক হিসেবেই তৈরি হয় এবং বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো কাজ করতে হলে দুই দেশের সম্মতি প্রয়োজন। একপক্ষীয়ভাবে কাজ করা উচিত নয়। ভবিষ্যতে যদি কোনো উন্নয়নমূলক কাজ, যেমন মসজিদ বা মন্দির নির্মাণ, করতে হয়, তাহলে দুই দেশের সম্মতি নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কঠোর মনোযোগ দেওয়া হবে।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও জানান, সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী বা নাগরিকদের দ্বারা বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা, নিরস্ত্র অবস্থায় গুলি চালানো বা আহত করার ঘটনা বন্ধ করতে আলোচনা হবে। এছাড়া, বিএসএফ বা ভারতীয় নাগরিকদের দ্বারা বাংলাদেশি নাগরিকদের আটক করা বা ধরে নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাগুলিও আলোচনায় আসবে।

তিনি সীমান্তে অবৈধ পারাপার, সীমানা লঙ্ঘন এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য, অস্ত্র, গোলাবারুদ বা বিস্ফোরক দ্রব্য চোরাচালান রোধ করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান।

এছাড়া, বাংলাদেশের আখাউড়া অঞ্চলের দিকে ভারতীয় আগরতলা থেকে বর্জ্য পানি প্রবাহিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে, এ নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চারটি খালে পানি শোধনাগার স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানির সুষম বণ্টন, পানি উত্তোলন, পানি চুক্তির বাস্তবায়ন এবং রহিমপুর খালের মুখ পুনঃউন্মুক্তকরণের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান।