ঢাকা ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

সীমান্তে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে: আখতার হোসেন

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা সীমান্তে শান্তি চাই। কোনো ধরনের অশান্তি চাই না। তারপরও যদি বাংলাদেশের মানুষকে বারবার উসকানি দেওয়া হয় তাহলে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে। কারণ স্বাধীন ভূখণ্ড রক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘আগ্রাসন’ এবং বাংলাদেশিদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার রাতে মশাল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলে ‘দিল্লির আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়।

আখতার হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দিনে-দুপুরে বিএসএফ এসে আমাদের ফসল নষ্ট করছে। তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করার সাহস দেখিয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষেরা তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষ পরাধীনতার স্বাদ আর কোনোভাবেই সহ্য করবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমাদের যে ভাইয়েরা আজকে বিজিবির সঙ্গে মিলে ভারতের আগ্রাসন রুখে দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।

বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন,  দালাল খুনি হাসিনার পতনের পর দিল্লির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে নয়ছয় করার চেষ্টা করছে। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এক এক ইঞ্চি জায়গা হারাতে দিব না। এজন্য বাংলার মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, ভারত বাংলাদেশের মানুষের পালস বুঝবে এবং তারা বাংলাদেশের উপর অযাচিত কোনো আগ্রাসন চালাবে না।  কিন্তু যদি তা করা হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে।

এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে: আখতার হোসেন

আপডেট সময় : ১০:২৩:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা সীমান্তে শান্তি চাই। কোনো ধরনের অশান্তি চাই না। তারপরও যদি বাংলাদেশের মানুষকে বারবার উসকানি দেওয়া হয় তাহলে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে। কারণ স্বাধীন ভূখণ্ড রক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘আগ্রাসন’ এবং বাংলাদেশিদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার রাতে মশাল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলে ‘দিল্লির আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়।

আখতার হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দিনে-দুপুরে বিএসএফ এসে আমাদের ফসল নষ্ট করছে। তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করার সাহস দেখিয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষেরা তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষ পরাধীনতার স্বাদ আর কোনোভাবেই সহ্য করবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমাদের যে ভাইয়েরা আজকে বিজিবির সঙ্গে মিলে ভারতের আগ্রাসন রুখে দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।

বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন,  দালাল খুনি হাসিনার পতনের পর দিল্লির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে নয়ছয় করার চেষ্টা করছে। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এক এক ইঞ্চি জায়গা হারাতে দিব না। এজন্য বাংলার মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, ভারত বাংলাদেশের মানুষের পালস বুঝবে এবং তারা বাংলাদেশের উপর অযাচিত কোনো আগ্রাসন চালাবে না।  কিন্তু যদি তা করা হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে।

এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।