ঢাকা ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিচ্ছায় তালাকনামায় স্বাক্ষর করলে কি বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়? অভিযোগ তুলে এনসিপি থেকে নেতার পদত্যাগ ‘হাজিদের অর্থ ফেরত পাওয়া তারেক রহমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য’ দিল্লির মঞ্চে জ্ঞানেশকে নিশানা করে মমতার হুঁশিয়ারি রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির ইহুদি-আরব যৌথ সরকারের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ: প্রধানমন্ত্রী লংমার্চ বাদ দিয়ে আলোচনায় বসুন, বিরোধী দলকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর ব্যবহৃত বিছানায় নন-মাহরাম পুরুষের বসা বা ঘুমানো কি জায়েজ?

এস আলমের ২০০ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, ৮৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

  • চেতনায়২৪ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৮৮ বার পড়া হয়েছে

সিঙ্গাপুরে এক বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের ২০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও ৮৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন পৃথক দুটি আদেশে এ নির্দেশনা দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ পিপি রেজাউল করিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. আবু সাঈদ এ আবেদন করেন।

এস আলম গ্রুপের অন্য যাদের সম্পদ ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন তারা হলেন—এস আলমের স্ত্রী ফারজানা পারভীন, মা চেমন আরা বেগম, ভাই মোহাম্মদ আবুদুল্লাহ হাসান, ওসমান গনি, রাশেদুল আলম, শহিদুল আলম, এস আলমের ছেলে আহসানুল আলম, আশরাফুল আলম মাহির ও আসাদুল আলম, ওসমানের স্ত্রী ফারজানা বেগম এবং এস আলমের ভাই আবদুস সামাদের স্ত্রী শাহ ফেরদানা।

প্রথম আবেদনে দুদক কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এস আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির ১৯টি অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি ২৮ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬৩ টাকা জমা দিয়েছেন এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৮টি অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৮ টাকা জমা দিয়েছেন। যে কোনো সময় অ্যাকাউন্ট থেকে সেই অর্থ স্থানান্তর বা পাচারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সেসব অ্যাকাউন্ট যাতে তারা স্থানান্তর ও উত্তোলন করতে না পারেন, সে জন্য ওই সব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

ওই কর্মকর্তা তার আরেকটি আবেদনে বলেছেন, এস আলম, তার স্ত্রী এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা চট্টগ্রাম ও ঢাকার গুলশানে ভবন ও প্লট নির্মাণ ও কিনেছেন, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি ২৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা। এসব স্থাবর সম্পদ যাতে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য আদেশ প্রয়োজন।

এর আগে গত বছরের ৭ অক্টোবর একই আদালত সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশে ১ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে এস আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং তার পরিবারের ১১ সদস্যের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

 

আপলোডকারীর তথ্য

সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এস আলমের ২০০ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, ৮৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৪:৩০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

সিঙ্গাপুরে এক বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে এস আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের ২০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদ ক্রোক ও ৮৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন পৃথক দুটি আদেশে এ নির্দেশনা দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিশেষ পিপি রেজাউল করিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. আবু সাঈদ এ আবেদন করেন।

এস আলম গ্রুপের অন্য যাদের সম্পদ ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন তারা হলেন—এস আলমের স্ত্রী ফারজানা পারভীন, মা চেমন আরা বেগম, ভাই মোহাম্মদ আবুদুল্লাহ হাসান, ওসমান গনি, রাশেদুল আলম, শহিদুল আলম, এস আলমের ছেলে আহসানুল আলম, আশরাফুল আলম মাহির ও আসাদুল আলম, ওসমানের স্ত্রী ফারজানা বেগম এবং এস আলমের ভাই আবদুস সামাদের স্ত্রী শাহ ফেরদানা।

প্রথম আবেদনে দুদক কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এস আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসির ১৯টি অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি ২৮ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬৩ টাকা জমা দিয়েছেন এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৬৮টি অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ৫৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৮৮ টাকা জমা দিয়েছেন। যে কোনো সময় অ্যাকাউন্ট থেকে সেই অর্থ স্থানান্তর বা পাচারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সেসব অ্যাকাউন্ট যাতে তারা স্থানান্তর ও উত্তোলন করতে না পারেন, সে জন্য ওই সব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

ওই কর্মকর্তা তার আরেকটি আবেদনে বলেছেন, এস আলম, তার স্ত্রী এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা চট্টগ্রাম ও ঢাকার গুলশানে ভবন ও প্লট নির্মাণ ও কিনেছেন, যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি ২৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা। এসব স্থাবর সম্পদ যাতে হস্তান্তর ও স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য আদেশ প্রয়োজন।

এর আগে গত বছরের ৭ অক্টোবর একই আদালত সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য দেশে ১ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে এস আলম, তার স্ত্রী ফারজানা পারভীন এবং তার পরিবারের ১১ সদস্যের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।